রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুললেন বারুইপুরের ধৃত দুই পুরপ্রতিনিধি। রবিবার বারুইপুরের ছ’নম্বর ওয়ার্ডের বিকাশ দত্ত এবং ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের আশিস দেবরায়কে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রের খবর, বারুইপুরের কীর্তনখোলা শ্মশান থেকে অবৈধ ভাবে মৃত্যুর শংসাপত্র দেওয়ার অভিযোগের তদন্তে নেমে সম্প্রতি তিন ভুয়ো চিকিৎসককে ধরা হয়েছিল। তাঁদের জেরা করে পুরপ্রতিনিধি-সহ আরও অনেকের যোগ সামনে আসে। ধৃতদের সোমবার আদালতে তোলা হলে বিচারক দু’দিনের পুলিশি হেফাজত দেন।
আদালতে যাওয়ার পথে বিকাশ বলেন, “বিজেপির মণ্ডল সভাপতি গৌতম চক্রবর্তী সম্প্রতি আমাদের কাছে ৩০ লক্ষ টাকা ‘তোলা’ চান। সেই টাকা দিতে পারিনি বলে ফাঁসানো হল।” প্রসঙ্গত, গৌতম-ঘনিষ্ঠ বিজেপি নেতার অভিযোগেই তদন্ত শুরু হয়। গৌতম অবশ্য বলেন, “টাকা চাওয়ার অভিযোগ মিথ্যা। প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি হয়েছে। পুলিশ সে সবের প্রমাণ পেয়েছে। তদন্তে সবই প্রমাণিত হবে।”