E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

পরিকাঠামোর ভিত্তিতে স্কুলের অবস্থান কোথায়, দেখবে কমিটি

উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের তৈরি করা স্টেট স্কুল অ্যাক্রেডিটেশন অথরিটিকে কী কী বিষয়ে পর্যালোচনা করতে হবে, তারও কিছু নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা দফতর।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৫ জানুয়ারি ২০২৬ ১০:৩৩
—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

পরিকাঠামো কেমন স্কুলগুলির, তার কোথায় কোথায় রয়েছে খামতি, পরিকাঠামোর উৎকর্ষতার মাপকাঠিতে ঠিক কোন জায়গায় একটি স্কুলের অবস্থান, তার ভিত্তিতে স্কুলের র‌্যাঙ্কিং করতে হবে। এমনটাই বলা হয়েছিল জাতীয় শিক্ষানীতিতে। জাতীয় শিক্ষানীতিকে মান্যতা দিয়ে রাজ্য শিক্ষা দফতর উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদকে স্টেট স্কুল অ্যাক্রেডিটেশন অথরিটি তৈরি করে স্কুলগুলির উৎকর্ষতা বাড়ানোর পদ্ধতি পর্যালোচনা করার দায়িত্ব দিয়েছিল। এর জন্য কী কী বিষয়ের উপরে জোর দিতে হবে, তা নিয়ে সম্প্রতি একটি রিপোর্টও দিয়েছে শিক্ষা দফতরের অধীন স্টেট কাউন্সিল অব এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং।

শিক্ষা দফতরের এক কর্তা জানান, উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের তৈরি করা স্টেট স্কুল অ্যাক্রেডিটেশন অথরিটিকে কী কী বিষয়ে পর্যালোচনা করতে হবে, তারও কিছু নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা দফতর। যেমন, একটি ন্যূনতম গুণমান রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো স্কুলগুলির আছে কিনা, তা দেখতে হবে। স্কুল সম্পর্কে যে কোনও তথ্য যেন সাধারণ মানুষ ওয়েবসাইটে দেখতে পান, সেই ব্যবস্থা করতে হবে। শুধু পাঠ্যপুস্তকের মাধ্যমে পড়ানোই নয়, পড়াশোনার মান উন্নয়নের জন্য প্রযুক্তি কতটা ব্যবহার করা হচ্ছে, দেখতে হবে তা-ও। নজর রাখতে হবে স্কুলগুলির দৈনন্দিন কার্যকলাপের দিকেও।

স্টেট কাউন্সিল অব এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং-এর এক কর্তা বলেন, ‘‘স্কুলগুলির মান উন্নয়নের জন্য নিজস্ব মূল্যায়ন করা খুব জরুরি। সেই মূল্যায়ন করার সময়ে স্কুলগুলিকে দেখতে হবে, তারা এখন কোথায় দাঁড়িয়ে আছে। কোনও খামতি থাকলে তা দূর করার জন্য একটি রূপরেখা তৈরি করতে হবে। সেটি তৈরি করার জন্য কমিটি গঠন করার কথাও বলা হয়েছে।’’ ওই কর্তা আরও জানান, কমিটির মধ্যে যেমন জেলা স্কুল পরিদর্শকের অফিসের এক জন আধিকারিক থাকবেন, তেমনই স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির এক সদস্য থাকবেন, থাকবেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক। রাখতে হবে প্রাথমিক স্কুল থেকে শুরু করে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের এক জন করে শিক্ষক এবং ছাত্র প্রতিনিধিকেও। থাকবেন অভিভাবক এবং স্পেশ্যাল এডুকেটরেরাও। এই কমিটিস্কুলগুলি থেকে তথ্য সংগ্রহ করে, তার রিপোর্ট তৈরি করে স্কুলগুলির মান উন্নয়নের জন্য নির্দিষ্ট লক্ষ্য তৈরি করে দেবে।

স্কুলের উন্নতির স্বার্থে এই ভাবে কমিটি গঠন করে খামতি খুঁজে বার করা এবং তা দূর করতে নির্দিষ্ট লক্ষ্য তৈরির করার প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রধান শিক্ষকেরা। তবে তাঁদের একাংশের মতে, স্কুলগুলির পরিকাঠামোগত খামতি দূর করার জন্য কম্পোজ়িট গ্রান্ট পুরোটা পাওয়া খুব জরুরি। স্কুলগুলিতাদের পড়ুয়া-সংখ্যা অনুযায়ী যতটা কম্পোজ়িট গ্রান্ট পাওয়া দরকার, সেটা পাচ্ছে না। ফলে অনেক স্কুলই মান উন্নয়ন তো দূরের কথা, সাধারণ পরিকাঠামোই তৈরি করতে পারছে না। স্কুলগুলি যেন তাদের প্রাপ্য কম্পোজ়ি গ্রান্ট পায়, সেটাও শিক্ষা দফতর দেখুক— এই আবেদন প্রধান শিক্ষকদের।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
WBCHSE Education system

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy