E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

থানায় থানায় জিম তৈরি করবে রাজ্য পুলিশ

রাজ্য পুলিশের তরফে গত শুক্রবার জেলা পুলিশ সুপার, কমিশনার এবং ইউনিট প্রধানদের কাছে পাঠানো নির্দেশিকায় জিমন্যাসিয়াম বানানো এবং সরঞ্জাম কিনতে প্রয়োজনীয় দরপত্র প্রক্রিয়া ১৪ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করে তার নথি ২১ ডিসেম্বরের মধ্যে ভবানী ভবনে পাঠাতে বলা হয়েছে।

শিবাজী দে সরকার

শেষ আপডেট: ০৪ নভেম্বর ২০২৬ ০৮:৪৪

— প্রতীকী চিত্র।

রাজ্য পুলিশের একাংশের শারীরিক সক্ষমতা তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে বলে অভিযোগ। ফলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার ডিউটিতে বা রাজনৈতিক দলের দীর্ঘ মিছিলে ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন কেউ কেউ। অনেকে আবার হাঁটুর সমস্যায় ভুগছেন। পুলিশকর্মীদের একাংশের দাবি, সময়াভাবে তাঁরা নিজেদের স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল রাখতে পারেন না। তাই এ বার থানায় থানায় জিমন্যাসিয়াম বানাতে চাইছে রাজ্য পুলিশ। রাজ্য পুলিশের সব ইউনিটের সদর দফতরেও জিমন্যাসিয়াম বানাতে বলেছে ভবানী ভবন।

রাজ্য পুলিশের তরফে গত শুক্রবার জেলা পুলিশ সুপার, কমিশনার এবং ইউনিট প্রধানদের কাছে পাঠানো নির্দেশিকায় জিমন্যাসিয়াম বানানো এবং সরঞ্জাম কিনতে প্রয়োজনীয় দরপত্র প্রক্রিয়া ১৪ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করে তার নথি ২১ ডিসেম্বরের মধ্যে ভবানী ভবনে পাঠাতে বলা হয়েছে। প্রসঙ্গত, রাজ্যে নতুন সরকার ক্ষমতায় এসে় যোগ দিবসে পুলিশকর্মীদের যোগাসন করতে নির্দেশ দিয়েছিল। এ বার রাজ্য পুলিশকর্মীদের শারীরিক দক্ষতা, সহনশীলতা এবং স্বাস্থ্যের উন্নতির লক্ষ্যে জিমন্যাসিয়াম বানাতে বলা হয়েছে। অবশ্য, রাজ্যের কিছু থানা এবং লালবাজারে আগে থেকেই জিমন্যাসিয়াম রয়েছে।

ভবানী ভবন সূত্রের খবর, রাজ্য পুলিশের এসটিএফ, দুর্নীতি দমন শাখার থানা-সহ মোট থানা ৫৭৬টি। বিভিন্ন ইউনিটের সদর অফিস রয়েছে ৬৫টি। ওই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, জিমন্যাসিয়াম এবং তার সরঞ্জাম কিনতে থানাগুলিকে ২ লক্ষ টাকা এবং ইউনিটের জন্য পাঁচ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছে। যা স্থানীয় ভাবে দরপত্র প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জেলা পুলিশ সুপার বা ইউনিট প্রধানেরা কিনবেন। এক পুলিশকর্তা জানান, জিমন্যাসিয়ামে কী কী সরঞ্জাম থাকবে, তার তালিকাও পাঠানো হয়েছে। এর জন্য থানাগুলিতে কমপক্ষে ১২ ফুট বাই ১২ ফুটের ঘর এবং ইউনিটের সদর দফতরে ১৫ ফুট বাই ১৫ ফুটের ঘরের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, থানাগুলি জিমন্যাসিয়ামের জন্য কিনতে পারবে হেক্স ডাম্বেল, বারবেল প্লেট, বারবেল রড ইত্যাদি। ইউনিটের সদর দফতরের জন্য কেনা যাবে স্কোয়াট র‌্যাক, লেগ এক্সটেনশন, লেগ কার্ল বেঞ্চ, ট্রেডমিল। থাকবেন এক জন করে প্রশিক্ষিত ট্রেনারও। তবে যেখানে আগে থেকেই জিমন্যাসিয়ামের সরঞ্জাম রয়েছে, তারা ওই টাকায় নতুন সরঞ্জাম কিনতে পারবে।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
West Bengal Police Gym Session West Bengal government Physical Exercise Mental Fitness

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy