ঝাড়গ্রাম থেকে কলকাতায় ফেরার পথে দু’জায়গায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে শুভেচ্ছা জানালেন দলের কর্মী-সমর্থকরা। দু’দিনের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা সফর শেষে বুধবার সকালে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেন মুখ্যমন্ত্রী। পথে ডেবরার দু’টি জায়গায় পৃথক ভাবে তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। একই ব্লকে পৃথক ভাবে দলনেত্রীকে সংবর্ধনা দেওয়ার ঘটনায় গোষ্ঠীকোন্দলের ছায়া দেখছেন দলেরই একাংশ নেতা।
এ দিন ডেবরাচকের কাছে হরিমতি স্কুলের সামনে আগে থেকেই দাঁড়িয়ে ছিলেন তৃণমূলের ব্লক সভাপতি রতন দে, বিধায়ক সেলিমা খাতুন-সহ নেতৃত্ব। মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি আসতেই তাঁকে শুভেচ্ছা জানান দলের নেতা-কর্মীরা। ডেবরা হরিমতি স্কুলের কাছে একটি বালকের মাথায় হাত বুলিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। গাড়ির জানালার কাচ নামিয়ে বিধায়ক সেলিমা খাতুনকে ভাল করে কাজ করার পরামর্শ দিয়ে যান মুখ্যমন্ত্রী।
ডেবরা টোল প্লাজার কাছে মুখ্যমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান দলের কর্মী-সমর্থকরা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের জেলা নেতা অলোক আচার্য। টোল প্লাজার সামনে কয়েকজন কচিকাঁচাকে দেখে মুখ্যমন্ত্রী গাড়ি থেকে হাত বাড়িয়ে কয়েকটি চকোলেট দেন। তৃণমূলের ব্লক সভাপতি রতন দে বলেন, “আমি ব্লকের পক্ষ থেকে অভ্যর্থনার জন্য জমায়েত করেছিলাম। আমার সঙ্গে বিধায়ক ও জেলা পরিষদের সদস্য ছিল। শুনলাম টোল প্লাজার কাছেও দলের এক নেতা এ ভাবে অভ্যর্থনা জানিয়েছেন। কে কী অভিসন্ধি নিয়ে অভ্যর্থনা জানিয়েছেন জানি না। তবে ব্লকেই এভাবে পৃথক অভ্যর্থনা উচিৎ নয়।” দলের জেলা নেতা অলোক আচার্যও বলেন, “আমি নেত্রীকে অবর্থনা জানিয়েছি। অন্য কোথাও অভ্যর্থনার আয়োজন হয়েছিল বলে আমাকে কেউ জানায়নি।”
মিছিলের ়ডাক। তৃণমূলের সন্ত্রাসের অভিযোগে আজ, বৃহস্পতিবার সবং থানার সামনে অবস্থান কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল বাম-কংগ্রেস জোট। যদিও অবস্থান কর্মসূচির অনুমতি মেলেনি। এমনকী অবস্থান মঞ্চ তৈরির কাজেও পুলিশ বাধা দিয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনার প্রতিবাদে সবংয়ে মিছিলের ডাক দিল জোট। আজ, বৃহস্পতিবার সবং ব্লক কংগ্রেস কার্যালয় থেকে এই মিছিল শুরু হবে। সবং বাজার ঘুরে থানা ও ব্লক অফিস হয়ে বামেদের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে মিছিল শেষ হবে।