E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

পরিবর্তনের রথে রাশ আমজনতার হাতেই

গত বছর তিনটি রথের কাছে ঘেঁষতে দেওয়া হয়নি সাধারণ মানুষকে। তা ছাড়া সৈকত শহরে যান চলাচল এমন ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছিল, তাতে সমস্যায় পড়েছিলেন পর্যটকেরা।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৬ জুলাই ২০২৬ ০৭:০৩
রথ-সড়কের দু’পাশে স্থায়ী লোহার রেলিং বসানো হয়েছে।

রথ-সড়কের দু’পাশে স্থায়ী লোহার রেলিং বসানো হয়েছে। নিজস্ব চিত্র

দিঘায় জগন্নাথ সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্রের দ্বিতীয় বছরের রথযাত্রায় তিনটি রথের দড়ি (তালধ্বজ, নন্দী ঘোষ এবং দেবী দলন) ধরে টেনে নিয়ে যেতে পারবেন সাধারণ ভক্তেরা। সেই মতো প্রস্তুতি নিয়েছে মন্দিরের ট্রাস্ট কমিটি এবং প্রশাসন। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ভিড় বাড়তে পারে আঁচ করে নিরাপত্তা বাড়ানো হচ্ছে। আর গতবারের তুলনায় প্রশাসনের ‘অতি সক্রিয়তা’ এ বার অনেকটাই কম। এতে খুশি পর্যটক থেকে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

গত বছর তিনটি রথের কাছে ঘেঁষতে দেওয়া হয়নি সাধারণ মানুষকে। তা ছাড়া সৈকত শহরে যান চলাচল এমন ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছিল, তাতে সমস্যায় পড়েছিলেন পর্যটকেরা। এতে অসন্তুষ্ট হন তাঁরা। এ বার সেই পরিস্থিতি পাল্টেছে। মন্দিরের ট্রাস্ট কমিটি সূত্রের খবর, এ বছর সাধারণ মানুষ যাতে রথের রশি টানতে পারেন, তার জন্য ৪০ ফুট দড়ি প্রতিটি রথের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। দিঘায় রথ চলার সড়কে একাধিক বাঁক রয়েছে। বাঁকের জায়গায় রথ টানতে যাতে অসুবিধা না হয়, তার জন্য তিনটে রথের নীচের দিকে স্টিয়ারিং লাগানো হয়েছে।

মন্দিরের ট্রাস্ট কমিটির সদস্য রাধারমণ দাস বলেন, ‘‘তিনটে রথ তৈরির কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। এ বছর রথের রশি সকলেই টানতে পারবেন।’’ আজ, বৃহস্পতিবার সকালে মন্দিরের দু'নম্বর গেটের সামনে রাখা থাকবে তিনটি রথ। তাই ১১৬বি জাতীয় সড়কে যাতে যান চলাচলে বিঘ্ন না ঘটে, সে জন্য কিছু সময় এই রাস্তায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

হোটেল ব্যবসায়ীদের দাবি, রথযাত্রা উপলক্ষে হোটেলে অগ্রিম ঘর বুকিং ভালই হয়েছে। রামনগর, কাঁথি-সহ জেলার বিভিন্ন অংশ থেকে অনেক মানুষ ট্রেনে, বাসে এবং ব্যক্তিগত গাড়ি চেপে আসবেন। তাই প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। হেঁড়িয়া থেকে জাতীয় সড়কের দু’দিকে ভক্তদের স্বাগত জানিয়ে ব্যানার লাগানো হয়েছে। সৈকত শহর পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান জানিয়ে অটোতে প্রচার করা হচ্ছে। ‘দিঘা -শঙ্করপুর হোটেল মালিক সংগঠনে’র যুগ্ম সম্পাদক বিপ্রদাস চক্রবর্তী বলেন, ‘‘সরকারি ব্যবস্থাপনা এ বার প্রশংসনীয়। রথযাত্রার দিন সকাল থেকে পুরনো এবং নতুন দিঘায় যান চলাচল কিছুটা নিয়ন্ত্রিত হবে। কিন্তু তাতে পর্যটকদের কোনও অসুবিধা হবে না।’’

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
digha

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy