E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

কলকাতা-মেদিনীপুর দ্রুত রেল যোগাযোগ, প্রস্তাব শমীকের

শমীকের প্রস্তাবে কলকাতা ময়দানকে মূল হাব হিসেবে ধরে মোট চারটি করিডরের উল্লেখ রয়েছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৮:৩৭
প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

শিল্পের খরা কাটিয়ে শিল্পশহরে একের পর এক নতুন বিনিয়োগ আসতে চলেছে। শুক্রবার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এ বার দিল্লির ধাঁচে কলকাতার সঙ্গে হলদিয়ার যোগাযোগ আরও দ্রুত ও সহজতর করতে ‘র‌্যাপিড ট্রানজিট সিস্টেম’ চালুর জন্য কেন্দ্রের কাছে প্রস্তাব পাঠালেন রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। প্রস্তাবে মহানগরীর সঙ্গে পশ্চিম মেদিনীপুরকে যুক্ত করার কথাও বলা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় নগরোন্নয়ন মন্ত্রী মনোহরলাল খট্টরের কাছে শমীক প্রস্তাব দিয়েছেন। ‘নমো ভারত’ প্রকল্পে এই প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলেছেন রাজ্যসভার সাংসদ। কলকাতাকে কেন্দ্র করে হলদিয়া, নন্দীগ্রাম, কোলাঘাট, মেদিনীপুর-সহ রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ শহর, শিল্পাঞ্চল, বন্দর ও পর্যটন কেন্দ্রকে দ্রুতগতির রেলপথে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর প্রস্তাবে। প্রস্তাবের সঙ্গে প্রাথমিক সম্ভাব্য সমীক্ষা রিপোর্টও পাঠানো হয়েছে।

শমীকের প্রস্তাবে কলকাতা ময়দানকে মূল হাব হিসেবে ধরে মোট চারটি করিডরের উল্লেখ রয়েছে। একটি কলকাতা থেকে ফলতা ও ডায়মন্ড হারবার হয়ে হলদিয়া থেকে নন্দীগ্রাম পর্যন্ত। এর দূরত্ব ১০২ কিলোমিটার। এ ছাড়া কলকাতা থেকে কোলাঘাট হয়ে মেদিনীপুর রুটের প্রস্তাবও রয়েছে। আরেকটি প্রস্তাবে রয়েছে কলকাতা থেকে বর্ধমান, দুর্গাপুর হয়ে আসানসোল। চতুর্থটি হল, কলকাতা থেকে কল্যাণী হয়ে মায়াপুর পর্যন্ত সংযুক্তি। প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য কেন্দ্র ও রাজ্যের যৌথ মালিকানায় কাজ হোক, চান শমীক। তাঁর প্রস্তাব যৌথ মালিকানার সংস্থার নাম হোক ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল র‌্যাপিড ট্রানজিট কর্পোরেশন’।

শুক্রবার হলদিয়ায় ইন্ডিয়ান অয়েলের বিশ্বকর্মা পুজো মণ্ডপে শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, হলদিয়াতে একের পর এক নতুন বিনিয়োগ আসতে চলেছে। পরদিন খবর, অবিভক্ত মেদিনীপুরের দ্রুত রেল যোগাযোগের
প্রস্তাব। খুশি জেলায়।

তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসির প্রাক্তন জেলা সভাপতি তাপসকুমার মাইতি বলেন, ‘‘গত চার মাসে একের পর এক সরকারের ইতিবাচক পদক্ষেপে এটুকু বুঝতে পেরেছি রাজ্য এগোচ্ছে। হলদিয়াও এগোচ্ছে।’’

প্রস্তাবের বিষয়ে দক্ষিণ-পূর্ব রেলের জনসংযোগ আধিকারিক ওমপ্রকাশ চরণ বলেন, ‘‘এটা হতে পারে কোনও প্রস্তাব উনি নগরোন্নয়ন মন্ত্রকে দিয়েছেন। অনেক জায়গায় যেমন রাজ্য সরকার মেট্রো রেল চালায় তেমন ভাবে এই ট্রানজিট ব্যবস্থা চালু করতে চাইছেন। কিন্তু এই প্রস্তাবের ব্যাপারে আমাদের জানা নেই। এমনকি হতে পারে, এটা যে হেতু নগরোন্নয়নের ব্যাপার তাই আমাদের
জানারও বিষয় নয়।’’

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Haldia Samik Bhattacharya

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy