E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

এখনও বিস্তীর্ণ অঞ্চলে হাঁটুজল, বন্ধ স্কুল ও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র

বেহাল জলনিকাশি ও অতিবৃষ্টিতে পটাশপুরের পাশাপাশি ভগবানপুরের বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হয়। তিন সপ্তাহ পরেও সেই জলযন্ত্রনার ছবি বদলাইনি ভগবানপুরে কোটবাড় ও কাজলাগড়-সহ গুড়গ্রাম অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায়।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০১:৪৪
ভগবানপুরে কলাবেড়িয়া এলাকার অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী নীলিমা জানা কোমর জল পেরিয়ে নিজের কেন্দ্রে যাচ্ছেন।

ভগবানপুরে কলাবেড়িয়া এলাকার অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী নীলিমা জানা কোমর জল পেরিয়ে নিজের কেন্দ্রে যাচ্ছেন। নিজস্ব চিত্র।

এখনও মুক্তি মেলেনি জলযন্ত্রণা থেকে। তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে জলে ডুবে রয়েছে এলাকার বহু স্কুল এবং অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র। কোমর ও হাঁটু সমান জল পেরিয়ে স্কুলে যেতে হচ্ছে কর্মী, সহায়িকা এবং শিক্ষকদের। পড়াশোনা বা রান্না হচ্ছে না স্কুল কিংবা অঙ্গনওয়াড়িতে। শিশুদের শুধু দেওয়া হচ্ছে শুকনো খাবার। এই যন্ত্রণা থেকে কবে পরিত্রাণ মিলবে, কেউ জানেন না।

বেহাল জলনিকাশি ও অতিবৃষ্টিতে পটাশপুরের পাশাপাশি ভগবানপুরের বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হয়। তিন সপ্তাহ পরেও সেই জলযন্ত্রনার ছবি বদলাইনি ভগবানপুরে কোটবাড় ও কাজলাগড়-সহ গুড়গ্রাম অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায়। এখনও রাস্তার উপর কোথাও কোমর, কোথাও হাঁটু সমান জল দাঁড়িয়ে রয়েছে। স্কুলের মধ্যেই জলে ভেসে বেড়াচ্ছে ব্যাঙ-সাপ। শ্রেণিকক্ষে হাঁটু সমান জল। প্রায় তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ভগবানপুরে একাধিক অঙ্গনওয়াড়ি স্কুলে রান্না করা যাচ্ছে না। জলে ডুবে রয়েছে উনুন। ভেসে গিয়েছে জ্বালানি।

চড়াবাড় ও কলাবেড়িয়া এলাকার রাস্তায় কোমরজল থাকায় স্কুলে চাল ও ডাল পৌঁছানোর উপায় নেই। অনেক কেন্দ্রে খাবার সরবরাহকারী গাড়ি ঢুকতে না পেরে ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছে। নিরুপায় হয়ে প্রশাসনের নির্দেশে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলি থেকে সপ্তাহে একদিন করে শিশুদের শুকনো খাবার দেওয়া হচ্ছে। স্কুলে পড়াশোনা বন্ধ থাকলেও নিয়মিত কোমর সমান জল পেরিয়ে হাজিরা দিতে নাজেহাল হচ্ছেন শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরা। অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলি অনেক জায়গায় প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ক্লাব ঘরে বা অন্যের বাড়িতে চলছে।

দ্রুত জলনিকাশির জন্য ভগবানপুরে কলাবেড়িয়া-সহ একাধিক খালে পানা পরিষ্কারের কাজ শুরু করেছে সেচ দফতর। এগরার মহকুমাশাসক কর্মবীর কেশব বলেন, ‘‘জল থাকায় বেশকিছু স্কুল ও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে পড়াশোনা বন্ধ রয়েছে। শুকনো খাবার দিতে হচ্ছে। জল নামলে রান্না শুরু হবে'।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
school Flood Situation

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy