E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

দুর্গাপুজোর থিমে পবনপুত্র, কমিটিতে রাম-বাম নেতৃত্ব

জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য প্রশান্ত দাস এবং দলের ঝাড়গ্রাম ২ নম্বর এরিয়া কমিটির সদস্য বিধান মিস্ত্রি এই পুজোর যুগ্ম সম্পাদক। বিধান এক সময়ে সিপিএম পুর-প্রতিনিধি ছিলেন।

কিংশুক গুপ্ত

শেষ আপডেট: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ০৪:০৮
অরণ্য সঙ্ঘের মণ্ডপে প্রবেশপথে তৈরি হচ্ছে হনুমানের এই বিশালকায় মূর্তি।

অরণ্য সঙ্ঘের মণ্ডপে প্রবেশপথে তৈরি হচ্ছে হনুমানের এই বিশালকায় মূর্তি। — নিজস্ব চিত্র।

রাজনীতির ময়দানে মতাদর্শের ফারাক। অথচ দুর্গোৎসবের আয়োজনে সেই ফারাক ভুলে একসঙ্গে কাজ করছেন ভিন্ন রাজনৈতিক শিবিরের নেতা-কর্মীরা! ঝাড়গ্রাম শহরের অরণ্য সঙ্ঘের ২৮তম দুর্গোৎসবে এ বার থিম: ‘সঞ্জীবনীর খোঁজে পবনপুত্র’। পুজো কমিটির তিন যুগ্ম সম্পাদকের দু’জন সিপিএমের নেতা, অন্য জন বিজেপির সক্রিয় কার্যকর্তা।

সিপিএমের ঝাড়গ্রাম জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য প্রশান্ত দাস এবং দলের ঝাড়গ্রাম ২ নম্বর এরিয়া কমিটির সদস্য বিধান মিস্ত্রি এই পুজোর যুগ্ম সম্পাদক। বিধান এক সময়ে সিপিএম পুর-প্রতিনিধি ছিলেন। তিনি সিপিএম প্রভাবিত সম্মিলিত কেন্দ্রীয় বাস্তুহারা পরিষদের ঝাড়গ্রাম জেলা সম্পাদকও। অন্য যুগ্ম সম্পাদক বিশ্বজিৎ রাউত বিজেপির সক্রিয় কার্যকর্তা। বিধানসভা নির্বাচনে তিনি ঝাড়গ্রামের বর্তমান বিজেপি বিধায়ক লক্ষ্মীকান্ত সাউয়ের নির্বাচনী এজেন্ট ছিলেন। সেই লক্ষ্মীকান্তই এই পুজো কমিটির সভাপতি।

লক্ষ্মীকান্ত বলছেন, “মানুষ প্রতিকূল পরিস্থিতিতে পড়লে আরও বেশি করে ভগবানের শরণ নেন। তাঁরা (প্রশান্ত ও বিধান) যে রাজনৈতিক দলেরই হোন না কেন, হিন্দু হিসেবে সনাতন ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকাটাই তো স্বাভাবিক।”

তবে হনুমান-থিমের সঙ্গে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পালাবদলের যোগ নেই বলেই দাবি প্রশান্তের। প্রশান্ত বলছেন, ”গত বছর পুজো শেষ হওয়ার পরে এই ভাবনার পরিকল্পনা হয়েছিল। দুর্গাপুজো সবচেয়ে বড় উৎসব। দলমত নির্বিশেষে সকলেই শামিল হন।” বিশ্বজিতের কথায়, “পুজোর আয়োজনে রাজনৈতিক ভেদাভেদ থাকে না। বিভিন্ন দলের মানুষ একসঙ্গে কাজ করেন, উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেন।” বিধানও জানিয়েছেন, সকলের অংশগ্রহণই এই পুজোর দীর্ঘদিনের বৈশিষ্ট্য।

থিম রূপকার অরণ্য সঙ্ঘের সমস্ত সদস্য। সেই ভাবনার রূপায়ণের দায়িত্বে রয়েছেন নন্দগোপাল দাস। মণ্ডপের প্রবেশপথে গন্ধমাদন পর্বত দু’হাতে তুলে দাঁড়িয়ে রয়েছেন দীর্ঘদেহী অতিকায় হনুমান। ভিতরে বনবাসী বেশে দেবী দুর্গা ও তার সন্তানরা। এ ছাড়াও শক্তিশেলে ধরাশায়ী লক্ষ্মণ, মেঘের আড়ালে মেঘনাদের মতো নানা চমক রয়েছে মণ্ডপ প্রাঙ্গণে।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Durga Puja Durga Puja Pandal Jhargram

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy