দুই রেল স্টেশনে হবে নন-ইন্টারলকিংয়ের কাজ। তার প্রভাবে খড়্গপুর ডিভিশনে প্রায় ১৭দিন ধরে বিঘ্নিত হতে চলেছে ট্রেন চলাচল। বাতিল হচ্ছে লোকাল ও দূরপাল্লার ট্রেন! যাত্রীদের ভোগান্তির আশঙ্কা থাকছে।
দক্ষিণ-পূর্ব রেলের খড়্গপুর ডিভিশনের তরফে দু’টি বিজ্ঞপ্তি জারি করে একথা জানানো হয়েছে। ২৪ জুলাই থেকে হাওড়া স্টেশনের ২৪ নম্বর প্ল্যাটফর্ম চালু হতে চলেছে। ২৯ জুলাই থেকে বালেশ্বরে স্টেশনে পুনর্নিমাণের কাজ হবে। দুই কাজেই বিঘ্নিত হবে খড়্গপুর ডিভিশনের পরিষেবা।
হাওড়া স্টেশনের জন্য হাওড়া লিঙ্ক কেবিনের কাছে হবে নন-ইন্টারলকিং কাজ। তাই আগামী ২৪ জুলাই বিকেল পাঁচটা থেকে ২৭ জুলাই ভোর পাঁচটা পর্যন্ত ট্রেন চলাচলে প্রভাব পড়বে। ফলে ২৬ জুলাই থেকে বাতিল হচ্ছে হাওড়া-মেদিনীপুর, খড়্গপুর, পাঁশকুড়া, মেচেদা ও আমতা রুটের ১৬টি লোকাল। ২৩ জুলাই থেকেই হাওড়া-বেঙ্গালুরু, হাওড়া-পুরী, হাওড়া-আমেদাবাদ, হাওড়া-চেন্নাই, হাওরা-সেকেন্দ্রাবাদ, হাওড়া-মুম্বাই, হাওড়া-চক্রধরপুর রুটের ৫৩টি এক্সপ্রেসের যাত্রাপথ সংক্ষিপ্ত হতে চলেছে। ট্রেনগুলি শালিমার এবং সাঁতরাগাছি পর্যন্ত চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রেল কর্তৃপক্ষ।
নারায়ণগড়-ভদ্রক তৃতীয় লাইনের সংযুক্তিতে বালেশ্বর স্টেশন ইয়ার্ড পুনর্নিমাণের কাজ শুরু হবে ২৯ জুলাই। কাজ চলবে ১১ অগস্ট পর্যন্ত। সেই সময় হাওড়া-পুরী, ডিব্রুগড়-কন্যাকুমারী, আনন্দবিহার-পুরী, সেকেন্দ্রাবাদ-হাওড়া রুটের ২০টি ট্রেন বাতিল করেছে রেল। খড়্গপুর রেলের সিনিয়ার ডিভিশনাল কমার্শিয়াল ম্যানেজার নিশান্ত কুমার বলেন, “যদি কোনও যাত্রী হাওড়া থেকে শালিমারে পৌঁছতে সমস্যায় পড়েন তার জন্য আমরাও কিছু বাস রাখছি।”