E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

নেপালের বিপর্যয়ে ধাক্কা পর্যটন ব্যবসায়

একই ভাবে পাঁশকুড়ার একটি সংস্থার সঙ্গে ৪০ জনের দশমীর পরে নেপাল যাওয়ার কথা রয়েছে।

সৌম্য প্রামাণিক

শেষ আপডেট: ২৯ অগস্ট ২০২৬ ০৯:১৭
নেপালে বিপর্যয়।

নেপালে বিপর্যয়। ফাইল চিত্র।

সামনেই পুজো। উৎসবের মরসুমের ছুটিতে বহু বাঙালি বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা করেন। এই সময় তাই বাড়তি লাভের মুখ দেখে ভ্রমণ আয়োজক সংস্থাগুলিও। কিন্তু যে সব সংস্থা নেপালে পর্যটকদের নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিল, ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের পরে সেই সংস্থাগুলির ব্যবস্যা খানিকটা ধাক্কা খেয়েছে। বহু সংস্থা নেপাল ভ্রমণ বাতিল করেছে। কেউ কেউ আবার পুজোর কয়েক মাস পরের পরিস্থিতির দিকে নজর রাখতে চাইছে।

পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়া, তমলুক, মেচেদা-সহ একাধিক শহরে রয়েছে কয়েকশো ভ্রমণ সংস্থা। ওই সমস্ত সংস্থার মাধ্যমে জেলার পর্যটকদের একটা বড় অংশ দেশ-বিদেশে ঘুরতে যান। পাসপোর্টের ঝক্কি না থাকায় প্রতি বছর জেলা থেকে অনেকে হিমালয়ে দেশ নেপালও ঘুরতে যান। গত বুধবার নেপালই হড়পাবানে বিধ্বস্ত। এ রাজ্যের ২৩ জন পর্যটক এখনও নিখোঁজ। টেলিভিশনের পর্দা এবং সমাজমাধ্যমে প্রাকৃতিক দুর্যোগের বিধ্বংসী এই রূপ দেখে অনেক পর্যটকই নিজেদের নেপাল ভ্রমণ বাতিল করতে চেয়ে ফোন করছেন পর্যটন সংস্থাগুলিকে।

কোলাঘাটের একটি পর্যটন সংস্থার তরফে আগামী ২৩ অক্টোবর ৬৫ জনের একটি দলকে নেপাল যাওয়ার ব্যবস্থা করেছে। সংস্থা জানাচ্ছে, ট্রেনের টিকিট, গাড়ি, হোটেলের পিছনে প্রায় দু’লক্ষ টাকা খরচ হয়ে গিয়েছে। এখন অনেকেই সংস্থায় ফোন করে নেপাল ঘোরা বাতিল করতে চাইছেন।

একই ভাবে পাঁশকুড়ার একটি সংস্থার সঙ্গে ৪০ জনের দশমীর পরে নেপাল যাওয়ার কথা রয়েছে। ওই সংস্থার কাছে অধিকাংশই টাকা ফেরত না নিয়েই ট্যুর বাতিল করতে চেয়েছেন। চলতি বছর তাই নেপাল সফর বাতিল করেছে ওই সংস্থাটি। সংস্থার কর্ণধার কৃষ্ণেন্দু ঘোড়াই বলেন, ‘‘একাদশীর দিন ৪০ জনকে নিয়ে নেপাল যাওয়ার কথা ছিল। অন্তত ৩০ জন সফর বাতিল করতে চেয়েছেন। অধিকাংশ টাকাই আমরা ফিরিয়ে দিচ্ছি।’’

পুজোয় পরিবারের ছয় সদস্যের সঙ্গে নেপালে যাওয়ার কথা ছিল পাঁশকুড়ার বাসিন্দা অভিরূপ পট্টনায়কের। তিনি বলছেন, ‘‘যে পরিস্থিতি হয়েছে, তাতে নেপালের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে অনেকটা সময় লাগবে মনে হয়। এখন ওখানে গেলে সমস্যায় পড়তে হতে পারে। তাই নেপাল ভ্রমণ বাতিল করেছি।’’

কয়েকটি সংস্থা আবার পুজোর নেপাল সফর পিছিয়ে দিতে চাইছে। কোলাঘাটের ভ্রমণ সংস্থার কর্ণধার অসীম দাস বলছেন, ‘‘লক্ষাধিক টাকার মতো খরচ হয়েছে। বাতিল করলে বহু লোকসান হবে। তাই পরিস্থিতির উন্নতি হলে আমরা পরে নেপাল যাওয়ার পরিকল্পনা করছি।’’

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Nepal Kharagpur

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy