E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

‘উৎসশ্রী’তে আবেদন আটকে শিক্ষকদের

শিক্ষকদের একাংশের অভিযোগ, পুরনো চাকরিতে তাঁরা ফিরেছেন ঠিকই, কিন্তু এখনও বেশ কিছু সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। অভিযোগ, ওই শিক্ষকদের প্রভিডেন্ট ফান্ড এখনও নতুন স্কুলে স্থানান্তর হয়নি।

আর্যভট্ট খান

শেষ আপডেট: ০৯ অগস্ট ২০২৬ ০২:১২

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

২০১৬ সালের বাতিল হওয়া প্যানেল থেকে পুরনো চাকরিতে যাঁরা ফিরে এসেছিলেন, তাঁদের মধ্যে শিক্ষকতার চাকরিতে ফিরে গিয়েছিলেন প্রায় চার হাজার জন।

ওই শিক্ষকদের একাংশের অভিযোগ, পুরনো চাকরিতে তাঁরা ফিরেছেন ঠিকই, কিন্তু এখনও বেশ কিছু সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। অভিযোগ, ওই শিক্ষকদের প্রভিডেন্ট ফান্ড এখনও নতুন স্কুলে স্থানান্তর হয়নি। এমনকি, তাঁরা নতুন করে স্কুলে যোগ দেওয়ায় গত এক বছরের মধ্যে উৎসশ্রী পোর্টালের মাধ্যমে বদলির আবেদনও করতে পারেননি। যেমন, অর্পণ বসু নামে পূর্ব বর্ধমানের এক শিক্ষক জানাচ্ছেন, তিনি এসএসসি-র পরীক্ষা দিয়ে শিক্ষকতার চাকরি পেয়েছিলেন ২০১১ সালে। নিজের পদোন্নতির জন্য ফের পরীক্ষা দেন ২০১৬ সালে। সে বারেও তিনি পাশ করে নতুন স্কুলে যোগ দেন। কিন্তু পরে দুর্নীতির কারণে ২০১৬ সালের প্যানেল বাতিল হওয়ায় তাঁরও চাকরি চলে যায়। তবে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে তাঁরা পুরনো চাকরি ফিরে পান।

অর্পণ বলেন, ‘‘সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে নতুন করে স্কুলে যোগ দিলাম। কিন্তু আমার প্রভিডেন্ট ফান্ড নতুন স্কুলে ট্রান্সফার হল না। এই নিয়ে বার বার বিকাশ ভবনে বলেও লাভ হয়নি। এর পাশাপাশি আরও একটি সমস্যা হল, উৎসশ্রী পোর্টালে বদলির আবেদনও করতে পারছি না। কারণ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে নতুন স্কুলে যোগ দিয়েছি। অর্থাৎ, নতুন স্কুলে যোগ দেওয়ার পাঁচ বছর হয়নি। পাঁচ বছর না হলে বদলির আবেদন করা যায় না।’’ অর্পণদের প্রশ্ন, তাঁরা তো ২০১১ সাল থেকে স্কুলে শিক্ষকতা করছেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে তাঁরা নতুন ভাবে পুরনো স্কুলেই যোগ দিয়েছেন। তা হলে তাঁদের স্কুলে যোগ দেওয়ার বয়স কেন পাঁচ বছরের কম ধরা হবে? আগের ১৪ বছরের চাকরির কি তবে মূল্য নেই?

আর এক শিক্ষক বলেন, ‘‘নিয়মানুযায়ী, আমি ইচ্ছে করলে প্রভিডেন্ট ফান্ড থেকে আমার জমা টাকার ৭৫ শতাংশ তুলে নিতে পারি। কিন্তু আমার পিএফ এখনও পর্যন্ত পুরনো স্কুল থেকে ট্রান্সফার হয়নি। তাই চাইলেই পিএফের টাকা তুলতে পারব না।’’ এ ছাড়াও শিক্ষকদের একাংশের অভিযোগ, তাঁরা নতুন স্কুলে যোগ দেওয়ার পরে প্রথম আড়াই মাসের বেতন এখনও পাননি।

যদিও শিক্ষা দফতরের দাবি, পিএফ স্থানান্তরের ক্ষেত্রে সমস্যা হওয়ার কথা নয়। কোনও প্রযুক্তিগত কারণে হয়তো বিষয়টি আটকে আছে। দ্রুত সমাধান হয়ে যাবে।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Teachers West Bengal government Online Portal Government Schools

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy