গণেশ পুজোকে কেন্দ্র করে উৎসবে মাতল জেলা সদর বহরমপুর। সোমবার শহরের একাধিক জায়গায় গণেশ পুজো হয়েছে। পুজোকে কেন্দ্র করে এ দিন সন্ধ্যায় চলে লাড্ডু বিতরণ। পুজা উপলক্ষে লাড্ডু ও মোদক বেশি বিক্রি হয়েছে বলে জানাচ্ছেন মিষ্টি ব্যবসায়ীরা।
কয়েক বছর ধরেই গণেশ পুজোয় লাড্ডু ও মোদক ভাল বিক্রি হয় বলে জানাচ্ছেন মিষ্টি ব্যবসায়ীর। কোনও কোনও মণ্ডপে দেড় কেজি এবং পাঁচ কেজি ওজনেরও লাড্ডুর ভোগ দেওয়া হয়েছে। পুজোকে কেন্দ্র করে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করেছে শহরের কয়েকটি পুজো কমিটি। পুজোয় যানজট নিয়ন্ত্রণের জন্য ছিল পুলিশি নজরদারি।
বহরমপুর খাগড়া এলাকায় ইউনাইটেড ক্লাব গণেশ পুজো কমিটির সম্পাদক সুজিত মৈত্র বলেন, “এ বছর আমাদের পুজো দশম বর্ষে। এ বছর আমরা ঠাকুরকে পাঁচ কেজি ওজনের লাড্ডুর ভোগ দিয়েছি। সোমবার সন্ধ্যায় পথচারীদের পাঁচ হাজার লাড্ডু বিতরণ করা হয়। পুজোতে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়েছে পুজো উপলক্ষে।”
বহরমপুর প্রাঙ্গণ মার্কেটেও হচ্ছে গণেশ পুজো। সেই কমিটির পক্ষ থেকে বিশ্বতোষ পাণ্ডে বলেন, “আমাদের পুজো এ বছর ২৭তম বর্ষে পড়ল। পুজো মণ্ডপ থেকে প্রায় পাঁচশো মিটার অবধি অলোকসজ্জার আয়োজন করা হয়েছে। দেড় কেজি ওজনের লাড্ডু দেওয়া হয়েছে পুজোয়। শনিবার হবে বিসর্জন।”
মিষ্টি ব্যবসায়ী সুমনকল্যাণ ঘোষ বলেন, “অন্যান্য বছরের মতো এ বছর লাড্ডু ও মোদক ভালই বিক্রি হয়েছে। ব্যবসা ভাল হয়েছে।” বহরমপুরের বিধায়ক সুব্রত মৈত্র বলেন, “বহরমপুরে এ বছর অনেক গণেশ পুজো হচ্ছে। পুজোকে ঘিরে শহরবাসীর উৎসাহও রয়েছে প্রবল। রবিবার আমি কয়েকটি পুজো উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলাম।”