চাকদহ শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডের ফাঁকা জমি ফেলা রাখা হয়েছে। সেই সব জমির অধিকাংশে জঙ্গলে ভরে গিয়েছে। সেই জঙ্গল নিয়মিত পরিস্কার করা হয় না। এখন সেই জমির জলে ডেঙ্গির মশা তৈরির কারখানায় হয়েছে বলেশহরবাসীর অভিযোগ। স্থানীয় বাসিন্দা মিনু চক্রবর্তী বলেন, ‘‘আমাদের ঘরের সামনে জমি ফেলে রাখা হয়েছে। সেখানে কচু গাছে ভরে গিয়েছে। সেই জমিতে মশা হচ্ছে। মশার জন্য বাড়িতে টেকা বিপদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এগুলো পরিস্কারকরলে ভাল হয়।’’
রবীন্দ্রনগরের বাসিন্দা দীপেন্দ্রনাথ ভৌমিক বলেন, ‘‘মশার কামড়ের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য মশারি বিলি এবং নর্দমায় গাপ্পি মাছ ছাড়ছিলাম। সেই সময় শহরের মানুষ আমার কাছে অভিযোগ জানিয়েছিলেন ফাঁকা জমিতে জঙ্গল হয়ে গিয়েছে। সেখান থেকে মশার উপদ্রব হচ্ছে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘আমি জানিপুরসভা ডেঙ্গি দমনে কাজ করছে। যদি তারা এই জঙ্গল পরিস্কার করে দেন তাহলে ভাল হয়। মানুষ নিশ্চিন্তে বসবাস করতে পারে।’’
চাকদহ পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, শহরের পূর্ব এবং পশ্চিমপারে প্রায় ২৭০০টি ব্যক্তি মালিকানাধীন ফাঁকা জমি পড়ে রয়েছে। পুরসভার স্যানেটারি ইনস্পেক্টর সুপ্রকাশ বিশ্বাস বলেন, ‘‘কিছু মানুষ বহু বছর জমি কিনে ফেলে রেখেছেন এবং তাঅস্বাস্থ্যকর অবস্থায় পড়ে আছে। পুরসভার পক্ষ থেকে তাদের নোটিস ধরানো হচ্ছে। তার পরেওপ্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে পুরসভা মালিকের বিরুদ্ধে আইনিপদক্ষেপ করবে।’’