E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

সরকারি প্রকল্পে পিছিয়ে জেলা, দাবি মন্ত্রীর

শুক্রবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত বহরমপুর রবীন্দ্রসদনে পঞ্চায়েতের উন্নয়ন সংক্রান্ত বৈঠক হয়েছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৯ অগস্ট ২০২৬ ০৯:৫৮
পঞ্চায়েত দফতরের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।

পঞ্চায়েত দফতরের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। ফাইল চিত্র।

বিকশিত ভারত জি রামজি (১২৫ দিনের কাজ) থেকে শুরু করে আবাস যোজনার সমীক্ষায় পিছিয়ে রয়েছে মুর্শিদাবাদ। কেন এ সব কাজে পিছিয়ে রয়েছে, তা ভরা বৈঠকে বিডিওদের দাঁড় করিয়ে জানতে চাইলেন পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের সচিব পি উলগানাথন। পঞ্চায়েত দফতরের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের উপস্থিতিতে দফতরে সচিব প্রশ্ন করেন বিডিওদের। বিশেষ করে আবাস যোজনা ও ১২৫ দিনের কাজে পিছিয়ে থাকা নিয়ে তিনি তাঁদের নানা প্রশ্ন করেন। বিশেষ করে আবাস যোজনার সমীক্ষার কাজের গতি কম নিয়ে পঞ্চায়েত দফতরের সচিব বিডিওদের চেপে ধরেন। সেই সঙ্গে পঞ্চায়েতের কাজে গতি আনতে পথ বাতলে দেন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।

মন্ত্রী বলেছেন, ‘‘আমরা আবাস যোজনায় সমীক্ষা জোর দিয়েছি। তিন বার সময় সীমা বাড়িয়েছি। ২০ জুলাই থেকে বাড়িয়ে ১৫ অগস্ট করা হয়েছিল, ১৫ অগস্ট থেকে বাড়িয়ে ৩১ অগস্ট করা হয়েছে। যাতে একটা লোকও এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হয় তার জন্য। বিশেষভাবে বৈঠকে আমাদের সচিব এক একজন বিডিওকে দাঁড় করিয়ে জিজ্ঞেস করেছেন কেন হচ্ছে না? যাতে কোনও গরিব মানুষ বঞ্চিত না হয় কাজ এই পাওয়া থেকে তার জন্য আমরা চেষ্টা করছি।’’

শুক্রবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত বহরমপুর রবীন্দ্রসদনে পঞ্চায়েতের উন্নয়ন সংক্রান্ত বৈঠক হয়েছে। সেখানে মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ ছাড়াও অপর মন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষ, দুই সাংসদ আবু তাহের খান, খলিলুর রহমান সহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। সেখানে ১২৫ দিনের কাজ, বাংলা আবাস যোজনার সমীক্ষার কাজ, গ্রামীণ রাস্তা, পঞ্চদশ অর্থ কমিশন, পঞ্চম রাজ্য অর্থ কমিশনের অর্থ খরচ সহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে এদিন বৈঠকে জেলা পরিষদের সভাধিপতি রুবিয়া সুলতানা থেকে শুরু করে জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষদের দেখা যায়নি। এবিষয়ে রুবিয়া কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

এদিন বৈঠক শেষে দিলীপ বলেছেন, ‘‘এই জেলায় অনেক কাজ দেরি হয়ে গিয়েছে। বিশেষ করে আবাস যোজনার সমীক্ষা চলছে। অন্য জেলা ভাল হয়েছে। মুর্শিদাবাদ একটু পিছিয়ে আছে। তবে আমার ধারণা নির্ধারিত সময় ৩১ অগস্টে লক্ষমাত্রায় পৌঁছবে। ১২৫ দিনের কাজের ধীর গতিতে চলছে বৃষ্টি বাদলের জন্য।’’ দিলীপ বলেছেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন যে যে রাস্তার বিল আটকে আছে সেগুলো রিভিউ হবে।’’

দুর্গাপুজো সাধারণ মানুষের চাঁদায় করার পরামর্শ দেন দিলীপ। তিনি বলেছেন, ‘‘অনুদান কী দেবে সরকার এখনও ঘোষণা করেনি। কতটা দেবে, কী দেবে নিশ্চয়ই জেনে যাবেন। সরকারি পয়সায় যাঁরা দুর্গাপুজো করতে চাইছেন, তাঁরা যেন না করেন। দুর্গাপুজো হচ্ছে সাধারণ মানুষের পুজো। সাধারণ মানুষের কাছ থেকে চাঁদা নিয়ে পুজো করুন। সরকারের টাকা দিয়ে পুজো করাটা সংবিধানের পরিপন্থী। আগের সরকার দিয়েছিল, কেন দিয়েছিল, কী ব্যাপার! এ সরকার ভাবছে কী করবে। কিন্তু পুজো সাধারণ মানুষের পয়সায় হওয়া উচিত।’’

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Murshidabad

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy