প্রশাসনের পক্ষ থেকে নদীগর্ভে বৈধ বালির ঘাট মালিকদের বালি তোলার ছাড়পত্র দেওয়া হয়। শনিবার রাত থেকেই এই নির্দেশিকা জারি হয় বলে প্রশাসন সূত্রের খবর। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ময়ূরাক্ষী নদীতে অবৈধ ভাবে বালি তোলার কাজ শুরু করে কিছু অসাধু বালি ব্যবসায়ী বলে অভিযোগ পৌঁছয় মহম্মদবাজার ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরের আধিকারিকের কাছে। তার পরেই পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় ময়ূরাক্ষী নদীর তিলপাড়া জলাধার সংলগ্ন এলাকা থেকে একটি বালি তোলার যন্ত্র আটক করে মহম্মদবাজার থানার পুলিশ।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতি বছরের মতো এ বছরও বর্ষার জন্য নদীগর্ভে তিন মাস বালি তোলার কাজ বন্ধ রাখা হয়। এই তিন মাস যাতে বালি বিক্রির কাজ চলে সেই লক্ষ্যে এলাকার বৈধ বালির ঘাট মালিকেরা সরকারি নির্দেশিকা মেনে বালি মজুত করে রাখে এবং ওই সময়কালে তা বিক্রি করেন। তিন মাস পরে সরকারি নির্দেশে ফের বৈধ বালির ঘাটগুলি থেকে নদীগর্ভে বালি তোলার অনুমোদন দেওয়া হয়।
সরকারি নির্দেশিকার পরেই এলাকার অসাধু ব্যবসায়ীরা অবৈধ বালি বিক্রির প্রস্তুতি শুরু করে বলে অভিযোগ। রবিবার দুপুরে সেই খবর পেয়ে ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরের আধিকারিক এবং পুলিশ যৌথ ভাবে ময়ূরাক্ষী নদীর তিলপাড়া জলাধার সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালান। সেখান থেকে একটি বালি তোলার যন্ত্র উদ্ধার করা হয়। তবে কে বা কারা এই বালি তোলার কাজ শুরু করেছিল তা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরের আধিকারিক আনন্দ বিশ্বাস বলেন, “অবৈধ ভাবে বালি বিক্রির খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে অভিযান চালিয়ে একটি যন্ত্র আটক করে নিয়ে আসা হয়েছে। কারা এই কাজ শুরু করেছিল ও যন্ত্রটি কার সেই বিষয়ে তদন্ত শুরুকরেছে পুলিশ।”