E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

খানা, পুকুরে দেদার মিলছে দেশি মাছ

স্থানীয়রা জানান, ছোট থেকে বড় বিভিন্ন বয়সের মানুষ কেউ জাল, তিন কোনা জাল, বর্ষা, নাইলনের মশারি ব্যবহার করে মাছ ধরছেন। বিভিন্ন দেশি প্রজাতির মাছ জালে উঠছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৮ জুলাই ২০২৬ ০১:০৪

—প্রতীকী চিত্র।

গত কয়েক দিন ধরে জল বাড়তে শুরু করেছে ভৈরব, জলঙ্গি নদীতে। নদীর জল বাড়তেই নদীতে মিলছে বিভিন্ন দেশীয় প্রজাতির মাছ।

গত কয়েক দিন থেকে হরিহরপাড়ার কালুদিয়াড়, সুন্দলপুর, স্বরূপপুর ফেরিঘাট সংলগ্ন এলাকা সহ বিভিন্ন জায়গায় মাছ ধরার হিড়িক দেখা গিয়েছে। একই ভাবে নওদার কিশোরীতলা, আমতলা, টিয়াকাটাতেও মাছ ধরার হিড়িক দেখা গিয়েছে। ছোট থেকে বড় বিভিন্ন বয়সের মানুষ কেউ জাল, তিন কোনা জাল, বর্ষা, নাইলনের মশারি ব্যবহার করে মাছ ধরছেন। জল বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভেসে আসছে কচুরিপানা। বিভিন্ন ফেরিঘাটে বাঁশের অস্থায়ী সাঁকোর কাছে জমা হচ্ছে কচুরিপানা পানা। অনেককে দেখা যাচ্ছে, জাল টেনে কচুরিপানার মধ্যে থেকে মাছ ধরছেন। টর্চের আলো ব্যবহার করে মাছ শিকারের জন্য বিশেষ বর্ষা ব্যবহার করেও অনেকে মাছ শিকার করছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মাছ শিকারিদের জালে উঠছে বড় মাপের রুই, কাতলা, মৃগেল। জালে উঠছে আড়, পাকালের মতো মাছ।

তিন কোনা জাল, হাতে টানা জাল বা নাইলনের মশারি ব্যবহার করে মিলছে ময়া, গুচি, পুঁটি, খলসে, ট্যাংরা সহ বিভিন্ন ধরনের দেশীয় প্রজাতির মাছ। শুক্রবার সকাল থেকে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির মধ্যেও নদীতে দল বেঁধে মাছ ধরার হিড়িক দেখা গিয়েছে।

স্থানীয় মৎস্য শিকারি রাব্বিল শেখ বলেন, “নদীতে জল বাড়ছে। মাছও ভেসে আসছে। বিভিন্ন ধরনের মাছ জালে উঠছে।” বনমালি হালদার নামে এক মৎস্য ব্যবসায়ী বলেন, “নদীতে বিভিন্ন দেশীয় প্রজাতির মাছ মিলছে। সেই মাছ বাজারেও আসছে।”

হরিহরপাড়ার বাসিন্দা রিন্টু মণ্ডল বলেন, “গত কয়েক দিন ধরে বাজারে বিভিন্ন ধরনের নদীর মাছ মিলছে। তবে দাম তুলনামূলক ভাবে চড়া।” স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, জলাশয়ে জল কম থাকায় নদীতে পাট জাঁক দেওয়া হয়। যার ফলে মাঝেমধ্যে মাছের মড়ক দেখা যায়। জল বাড়ার ফলে ভাল জলের দিকে মাছভেসে আসছে।

সারগাছি ধান্যগঙ্গা কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের মৎস্য বিজ্ঞান বিভাগের বিষয়বস্তু বিশেষজ্ঞ উদয় নারায়ণ দাস বলেন, “বর্ষাকাল মাছের প্রজননের সময়। নদীতে পাট জাঁক দেওয়ার ফলে মাছ নিরাপদ জায়গা খোঁজে। অনেক সময় নদীর পাড়ে চলে আসে। জল বাড়লে অনেক সময় মাছ ঝাঁকে ঝাঁকে ভাসতে শুরু করে। তখনই ধরা পড়ে। মাছ ধরার সময় মাথায় রাখতে হবে যাতে মাছ ধরার ফলে মাছেদের প্রাকৃতিক প্রজনন ব্যাহত না হয়।”

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Fish

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy