E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

কষ্টিপাথরে রাজবল্লভের দেবী

ব্রাহ্মণ বংশে জন্মগ্রহণ করেও পরে ধর্মান্তরিত হয়ে ত্রাস হয়ে ওঠা সুলতানি সেনাপতি ষোড়শ শতকের ইতিহাসে ‘কালাপাহাড়’ নামে পরিচিত।

উৎস চন্দ্র

শেষ আপডেট: ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ০২:১১

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

প্রতি বছর নতুন প্রতিমা তৈরি হয় না। দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনও হয় না। কষ্টিপাথরের দশভুজার মূর্তি আজও ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করে দাঁড়িয়ে রয়েছে করিমপুর ২ ব্লকের থানারপাড়ার দোগাছি গ্রামে শ্রীশ্রী রাজবল্লভী মন্দির। সেই মন্দির ও বিগ্রহ রানি ভবানীর প্রতিষ্ঠিত বলেও জনশ্রুতি রয়েছে।

ব্রাহ্মণ বংশে জন্মগ্রহণ করেও পরে ধর্মান্তরিত হয়ে ত্রাস হয়ে ওঠা সুলতানি স‌েনাপতি ষোড়শ শতকের ইতিহাসে ‘কালাপাহাড়’ নামে পরিচিত। বহু জায়গাতেই তাঁর হাত থেকে দেববিগ্রহ রক্ষা করতে জলে নিক্ষেপ করা হয়েছিল। কথিত যে, এমনই দু’টি বিগ্রহ জলঙ্গি স্নানঘাটে ধীবর রাজবল্লভের জালে উঠে আসে। একটি কালো পাথরে খোদাই করা তিন ফুটের দশভুজা মূর্তি, অপরটি দু’ফুটের বিষ্ণুমূর্তি। স্বপ্নাদেশ পেয়ে ধীবর পূজাপাঠ শুরু করেন। পরে নাটোরের রানি ভবানী রাজন্যবর্গকে সেখানে পাঠান এবং মন্দিরের জন্য জমি দান করেন। পোড়া ইটের কারুকার্যময় মন্দিরও নির্মাণ করে দেন, যার নিদর্শন রয়েছে মুর্শিদাবাদে। পরে ভূমিকম্পে সেই মন্দির ধ্বংস হয়ে যায়। পরে দোগাছি গ্রামে ফের মন্দির নির্মাণ করা হয়। নয়ের দশকে এক বার রাজবল্লভী মূর্তি চুরি হয়ে গিয়েছিল। মন্ত্রীমহলে জানানোর পাশাপাশি স্থানীয় মানুষজন দিনরাত পাহারার ব্যবস্থা করেন। তাতে পাচারকারীরা মূর্তি ফেলে রেখে পালায় এবং দিন পনেরো বাদে বিগ্রহ পুনরুদ্ধার হয়। সেই পুজো এখনও সাড়ম্বরে চলেছে।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Karimpur

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy