Advertisement
E-Paper

এক চাকরি তিন বার ঘুরেও স্থায়ী হয়নি, অবশেষে ‘চাকরিহারা’ তকমা মুছলেন অনামিকা! নতুন কর্মক্ষেত্র ইসলামপুর

শিলিগুড়ির দুধমোড়ের বাসিন্দা অনামিকা রায় চাকরি পেয়েও অনিশ্চয়তায় ছিলেন। ২০১৬ সালের প্যানেলের ২৬ হাজার চাকরি বাতিল ঘোষণা করে আদালত। তাতে চাকরি যায় অনামিকারও। এ বার নতুন করে নিয়োগপত্র পেলেন।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৬ জুলাই ২০২৬ ১৬:০৯
Anamika Roy

অনামিকা রায়।— ফাইল চিত্র।

একটি চাকরি করেছেন তিন জন। মন্ত্রিকন্যা, তার পর আরও দু’জন। কিন্তু স্কুলে পড়ানোর চাকরি পেয়েও নিশ্চয়তা ছিল না। অবশেষে চাকরি স্থায়ী হল শিলিগুড়ির বাসিন্দা অনামিকা রায়ের। যোগ্যতাবলে আপার প্রাইমারি বা উচ্চ প্রাথমিকের শিক্ষিকা হলেন তিনি। কর্মক্ষেত্র উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরের বেলঝাড়ি জুনিয়র হাই স্কুল।

রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পরেশ অধিকারীর কন্যা অঙ্কিতা কোচবিহারের একটি স্কুলে চাকরি পেয়েছিলেন। অবৈধ নিয়োগে তাঁর চাকরি বাতিল করে কলকাতা হাই কোর্ট। তাঁর বেতনও ফেরাতে হয় আদালতকে। সেই বেতনের পুরো টাকাই পেয়েছিলেন ববিতা সরকার নামে আর এক চাকরিপ্রার্থী। কিন্তু অনামিকার মামলার পর দেখা যায়, ববিতার নিয়োগেও পদ্ধতিগত ত্রুটি রয়েছে। তাঁর চেয়ে অনামিকা ২ নম্বর বেশি পেয়েও বঞ্চিত হয়েছেন। মামলার রায়ে ববিতার চাকরিও বাতিল করে দেয় আদালত। পরেশ-কন্যার থেকে তিনি যে টাকা পেয়েছিলেন, তা-ও অনামিকার হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। পারিবারিক পরিস্থিতি বিচার করে তাঁকে বাড়ির অদূরের কোনও স্কুলে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছিলেন তৎকালীন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

তার পরেও ছিল প্রশ্ন। শিলিগুড়ির দুধমোড়ের বাসিন্দা অনামিকা চাকরি পেয়েও অনিশ্চয়তায় ছিলেন। ঘটনাক্রমে ২০১৬ সালের প্যানেলের ২৬ হাজার চাকরি বাতিল ঘোষণা করে আদালত। সুপ্রিম কোর্টের রায়ে ওই সমস্ত চাকরির মেয়াদ ২০২৬ সালের অগস্ট মাস পর্যন্ত। তাই অন্য অনেকের মতো প্রতিদিন অনিশ্চয়তা নিয়ে চাকরি করতে যাচ্ছিলেন অনামিকা। এ বার সেখান থেকে মুক্তি।

২০১৫ সালের আপার প্রাইমারিতে নিয়োগ জটিলতা কাটিয়ে কাউন্সেলিং চলছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ১,১৭৭ জন প্রার্থীর কাউন্সেলিং হয়েছে এবং সুপারিশপত্র দেওয়ার কাজ করছে স্কুল সার্ভিস কমিশন বা এসএসসি। তাতেই চাকরি পেলেন অনামিকা। ওই শিক্ষিকার কথায়, ‘‘প্রতিদিন যে হতাশা এবং অনিশ্চয়তা নিয়ে বাড়ি থেকে বার হতাম, সেটা হয়তো এ বার ঘুচল।’’ গোটা পরিস্থিতির জন্য পূর্বতন সরকারকে একহাত নিয়ে অনামিকা বলেন, ‘‘২০১৫ সালের যে মামলায় তৃণমূল সরকার আমল দিতেই চায়নি, সেই মামলার নিষ্পত্তি হল এই সরকারের আমলে। কিন্তু দুঃখ একটাই। শিক্ষকনিয়োগে দুর্নীতি এবং যোগ্য-অযোগ্যদের লড়াইয়ের মামলা আজও অমীমাংসিত।’’

upper primary recruitment Upper Primary SSC Anamika Roy

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy