সিপিএমের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর এবং আগুন লাগানোর অভিযোগ উঠল বিজেপির বিরুদ্ধে। সোমবার রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ জলপাইগুড়ির ডিবিসি রোডের সিপিএম জেলা দফতরে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা হামলা চালায়। অভিযোগ, পার্টি অফিসের সামনে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি লাঠি দিয়ে গেট ভাঙচুর করার চেষ্টা করে তারা। বেশ খানিকক্ষণ ধরে এই তাণ্ডব চালানো হয় বলে অভিযোগ। এই হামলার পরে পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে সিপিএম। এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে বিজেপির তরফ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
এই ঘটনার পর ক্ষুব্ধ সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। এক্স হ্যান্ডলে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করে তিনি লেখেন, “জলপাইগুড়ি সিপিএম জেলা দফতরে বিজেপির দুষ্কৃতীকারীদের হামলা! চোরের মতো রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ হামলা চালায় তারা।” ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, আচমকা কয়েকজন দুষ্কৃতী পার্টি অফিসের সামনে হামলা চালায় ও আগুন ধরিয়ে দেয় (যদিও এই ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। পার্টি অফিসের ভিতরে যাঁরা ছিলেন, তাঁরা সঙ্গে সঙ্গে গেটটি বন্ধ করে দেন। এর পরে ওই দুষ্কৃতীরা গেট ভাঙার চেষ্টা করে। তাঁদেরকে দেয় হুমকিও।
আরও পড়ুন:
জেলা সিপিএম সম্পাদক পীযূষ মিশ্র বলেন, “আরএসএস-বিজেপি দুষ্কৃতীবাহিনী জলপাইগুড়ি জেলা পার্টি দফতরে ভাঙচুর করে, আগুন ধরায়, এমনকি পতাকাটিকেও পুড়িয়ে দেয়। দুষ্কৃতীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে।” তিনি জানান, মঙ্গলবার বিকেল ৪টে নাগাদ জলপাইগুড়ি জেলা থেকে একটি প্রতিবাদ মিছিল বেরোবে। সুবোধ সেন ভবন জেলা কেন্দ্র থেকে লাল ঝান্ডাকে রক্ষা করার প্রতিবাদ মিছিলে সবাইকে শামিল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সিপিএম জেলা নেতৃত্ব বলেন, “বিজেপি-আরএসএসের গুন্ডাবাহিনীর আক্রমণের মুখে সিপিএম জলপাইগুড়ি জেলা দফতর। রাতের অন্ধকারে চোরের মতো আক্রমণ করা হয়। কমরেডদের সম্মিলিত প্রতিরোধে পিছু হটতে বাধ্য হয় সমাজবিরোধীরা। আগামী কাল জেলা জুড়ে হবে প্রতিবাদ মিছিল। অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতার করতে হবে।”