নাবালিকাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ প্রতিবেশী যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনাস্থল মালদহের ইংরেজবাজার থানা এলাকা। জখম ‘নির্যাতিতা’কে মালদহ মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করানো হয়েছে। অভিযুক্তও গ্রেফতার হয়েছেন।
দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে ১২ বছরের এক স্কুলছাত্রীকে খুন এবং ধর্ষণের অভিযোগ ঘিরে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। এর মধ্যে ইংরেজবাজারে ধর্ষণের অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা শুরু হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, ইংরেজবাজারের যদুপুরে একই এলাকার বাসিন্দা ‘নির্যাতিতা’ এবং অভিযুক্ত। অভিযুক্ত যুবকের বয়স ৩০ বছর। নাম শেখ রবিউল। পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, রবিবার দুপুরে ওই যুবকের বাড়িতে কেউ ছিলেন না। সেই সুযোগে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে কিছু একটা বলে বাড়িতে নিয়ে যান রবিউল। মেয়েটিকে যৌন হেনস্থা করা হয়।
নাবালিকা বাড়ি ফিরে গিয়েছিল একা। শারীরিক ভাবে সে অসুস্থ হয়ে পড়েছে দেখে পরিবারের লোকজন খোঁজখবর করেন। তাকে মালদহ মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করানো হয়। এর মধ্যে অভিযুক্ত বিহারে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। ‘নির্যাতিতা’র পরিবারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁর খোঁজ শুরু করেছিল পুলিশ। শেষমেশ বিহারের পূর্ণিয়া থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
পুলিশ জানিয়েছে, প্রযুক্তিগত সাহায্য নিয়ে রবিবার রাতেই অভিযুক্তকে পাকড়াও করা হয়েছে। সোমবার তাঁকে মালদহ জেলা আদালতে হাজির করানো হচ্ছে। পুলিশ সাত দিনের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে। মালদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাকসুদ হাসান বলেন, ‘‘অভিযোগ পাওয়ার পর তৎপরতার সঙ্গে বিশেষ দল গঠন করে বিহার থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্তকে। দ্রুত বিচারের মাধ্যমে শাস্তিবিধানের ব্যবস্থা হবে।’’