বিপর্যয় মোকাবিলা নিয়ে উত্তরকন্যায় তখনও বৈঠক করছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ঠিক সেই সময় ভবনের পাশে তাঁর জন্য নির্ধারিত হেলিপ্যাড চত্বরে শুরু হয়েছে তুমুল অশান্তি৷ কারণ, সেখানে চারচাকা গাড়ি নিয়ে ঢুকে পড়ছেন এক তৃণমূল নেতার পুত্র!
স্থানীয় সূত্রে খবর, যে ব্যক্তি ওই কাজ করেছেন, তাঁর নাম বাপি রায়। ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভার তৃণমূলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি দিলীপ রায়ের পুত্র তিনি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, ‘আর্মি’ লেখা সাদা রঙের একটি গাড়ি নিয়ে তিনি সোজা ঢুকে পড়েন হেলিপ্যাড গ্রাউন্ডে। তখন মুখ্যমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানাতে সেখানে জড়ো হয়েছেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা। হঠাৎ ওই ভাবে গাড়ি ঢুকে পড়ায় শোরগোল শুরু হয়।
স্টিয়ারিং হাতে বাপিকে দেখে স্থানীয় বিজেপি কর্মীরা উত্তেজিত হয়ে দৌড়ে যান তাঁর দিকে। সব মিলিয়ে হইহই কাণ্ড। সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে পুলিশ। কিন্তু তাদের সঙ্গেও বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের বিতণ্ডা বাধে। একদল বিজেপি কর্মী তখন ওই গাড়িটিকে ঘিরে ফেলেছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ গাড়িটিকে কোনও প্রকারে সেখান থেকে বার করার চেষ্টা করলেও এক বিজেপি কর্মী দলীয় পতাকা লাগানো বাঁশ নিয়ে গাড়ির পিছনের সজোরে মারেন। পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হয়ে ওঠে। শুরু হয় বচসা।
আরও পড়ুন:
অন্য দিকে, এই ঘটনার কিছুক্ষণ পরে মুখ্যমন্ত্রী সড়কপথে বাগডোগরা বিমানবন্দরে যাচ্ছেন বলে শোনা যায়৷ কিন্তু হেলিপ্যাড চত্বরে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় পেরিয়ে কী ভাবে গাড়ি নিয়ে কেউ ঢুকে পড়তে পারলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। প্রশ্ন উঠছে কী উদ্দেশ্যে তৃণমূল নেতার পুত্র সেখানে গিয়েছিলেন। উত্তর মেলেনি।