সাঁওতালডিহি থানা এলাকার এক যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু হল ঝাড়খণ্ডের জঙ্গলে। প্রেমিকার ওড়না দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে গাছ থেকে ঝুলতে দেখা যায় তাঁকে। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, ওই গ্রামেরই এক যুবক তাঁকে বাইকে চাপিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। তার পর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন তিনি।
পুরুলিয়ার সাঁওতালডিহি থানার অসুরবাঁধ (টাড়া) গ্রামের বাসিন্দা অপূর্ব রাজোয়াড়কে (২৩) বুধবার বিকেলে সেই গ্রামেরই তাপস রাজোয়াড় নামে এক যুবক বাইকে চাপিয়ে খেলার মাঠ থেকে অন্যত্র নিয়ে যান। তার পর আর খুঁজে পাওয়া যায়নি অপূর্বকে। রাতে বাড়ির লোকজন থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করতে গিয়ে জানতে পারেন, ঝাড়খণ্ডের চন্দনকিয়ারি থানা এলাকার একটি জঙ্গল থেকে এক যুবকের দেহ উদ্ধার হয়েছে।
আরও পড়ুন:
পরদিন সকালে অপূর্বের পরিবার সেখানে পৌঁছে দেহ শনাক্ত করে। মৃতের দাদা ভৈরব রাজোয়াড় বলেন, ‘‘গ্রামেরই এক যুবক ভাইকে ডেকে নিয়ে গিয়েছিলেন। কোথায় নিয়ে যান আমরা কেউ জানি না। পরে আমরা স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশের কাছ থেকে জানতে পারি, ওই এলাকার বাসিন্দা এক তরুণীর সঙ্গে নাকি ভাইয়ের প্রেম ছিল! তাঁর ওড়না দিয়েই সে গলায় ফাঁস লাগিয়েছিল। কিন্তু বিষয়টি আমাদের কাছে পরিষ্কার নয়। আমরা চাই ঘটনার সত্যতা সামনে আসুক। মেয়েটির ওড়না কী ভাবে তার হাতে পৌঁছোল? তাকে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে আমরা আশঙ্কা করছি।’’
গ্রামের যে যুবক অপূর্বকে ডেকে নিয়ে যান, তাঁর বিরুদ্ধে শুক্রবার ঝাড়খণ্ডের চন্দনকিয়ারি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে নিহতের পরিবার। ঝাড়খণ্ডের বোকারো জেলার এক পুলিশ আধিকারিক বলেন, ‘‘ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। এখনও পর্যন্ত আমরা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাইনি। তদন্তে সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’’