E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

বঙ্গের অসহযোগিতা প্রশ্নে শমীকের মুখে ‘মিনি পাকিস্তান’ও

কলকাতা-সহ শহরতলিতে পণ্য পরিবহণের চাপ কমাতে এক নম্বর জাতীয় সড়কের মাধ্যমে পণ্য পরিবহণের লক্ষ্যে হুগলির বলাগড়ে একটি পণ্য ওঠানামা কেন্দ্র গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বন্দর কর্তৃপক্ষ।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:২৮
শমীক ভট্টাচার্য।

শমীক ভট্টাচার্য। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

হুগলির বলাগড়ে কার্গো (পণ্য) হ্যান্ডলিং প্রকল্পের নির্মাণে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে সাহায্য করা হচ্ছে না বলে বিজেপি সাংসদ শমীক ভট্টাচার্যের করা প্রশ্নের উত্তরে জানালেন কেন্দ্রীয় জাহাজ ও বন্দর প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। শমীকের প্রশ্নের উত্তর আজ বাংলায় বলেছেন শান্তনু।

কলকাতা-সহ শহরতলিতে পণ্য পরিবহণের চাপ কমাতে এক নম্বর জাতীয় সড়কের মাধ্যমে পণ্য পরিবহণের লক্ষ্যে হুগলির বলাগড়ে একটি পণ্য ওঠানামা কেন্দ্র গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বন্দর কর্তৃপক্ষ। প্রায় ৫৩৯ কোটি টাকার বিনিময়ে তৈরি হওয়া ওই কেন্দ্র থেকে বছরে ২৭ লক্ষ টন পণ্য ওঠানামা হবে বলে আশা করছেন বন্দর কর্তৃপক্ষ। এর ফলে শহর এলাকায় যেমন পণ্যবাহী লরির আনগোনা কমবে, তেমনই ওই প্রকল্প রূপায়িত হলে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে প্রায় ২৬০০ চাকরি তৈরি হবে। আজ শান্তনু জানান, ওই প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় জমি রয়েছে। গত বছরের জানুয়ারিতে পরিবেশগত ছাড়পত্রও চলে এসেছে। যাতায়াতের রাস্তাও অনুমোদন পেয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে রেলপথের সঙ্গে যুক্ত হবে ওই প্রকল্প। শান্তনুর অভিযোগ, কিন্তু প্রকল্পের জন্য রাজ্য সরকারের কাছ থেকে যে সাহায্যের প্রয়োজন, তা পাওয়া যাচ্ছে না। একাধিক চিঠি দিয়েও কোনও উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না। রাজ্য সরকারের অসহযোগিতার বিষয়টি তোলা মাত্রই প্রতিবাদ জানান তৃণমূল সাংসদেরা। বাংলার সাংসদদের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় শুরু হওয়ায় যুযুধান দু’পক্ষকে বাংলায় ‘বসুন বসুন’ বলে শান্ত করার চেষ্টা করেন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সি পি রাধাকৃষ্ণন।

দ্বিতীয় প্রশ্নে শমীক বলেন, কলকাতা পোর্ট ট্রাস্টের হাতে ৪ হাজার একর জমি রয়েছে। যার মধ্যে ১৭০ একর বন্দরের জমি রয়েছে খিদিরপুর, মেটিয়াবুরুজ, গার্ডেনরিচ এলাকায়। প্রকাশ্যে যাকে ‘মিনি পাকিস্তান’ বলে আখ্যা দিয়েছেন কলকাতার (বর্তমান) মেয়র। ওই জবরদখল কবে উঠবে, তা মন্ত্রীর কাছে জানতে চাওয়া মাত্রই নিজের আসন থেকে বেরিয়ে এসে প্রতিবাদ জানাতে শুরু করেন তৃণমূলের সাংসদেরা। জবাবেশান্তনু বলেন, সাংসদ যে অভিযোগ করেছেন, তা ঠিক। শাসক দলের লোকেরাই ওই জমি দখল করে রেখেছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ জবরদখলকারীদের উচ্ছেদ করার জন্য আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। কিন্তু কিছু করা যাচ্ছে না।

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Samik Bhattacharya BJP Shantanu Thakur

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy