E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

গো-আদরের ছবি সমাজমাধ্যমে, কাকলির জোড়া পোস্টে চর্চা

দল ছেড়ে বিজেপির শরিক দল হওয়ার পথে রয়েছে এনসিপিআই। সে ক্ষেত্রে কাকলির এই গেরুয়াকরণ কি সহজাত? না কি বিজেপি ঘনিষ্ঠতার রাজনৈতিক প্রয়োজন রয়েছে এই আপাত অনিশ্চিত যাত্রাপথে?

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩১ অক্টোবর ২০২৬ ০৮:৫৩
কাকলি ঘোষদস্তিদারের সমাজমাধ্য়মে পোস্ট।

কাকলি ঘোষদস্তিদারের সমাজমাধ্য়মে পোস্ট। ছবি: সংগৃহীত।

‘গো সেবা ঈশ্বরের আরাধনা’— এই ক্যাপশনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেছিলেন কেন্দ্রীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গয়াল। যেখানে দেখা যাচ্ছে গরু-বাছুরদের যত্ন করেছেন মোদী। তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআইয়ে যোগ দেওয়া সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদার তাঁর এক্স হ্যান্ডলে গয়ালের পোস্টটিকে তুলে নিজেরও একটি ছবি দিয়েছেন গরুর সঙ্গে। তাতে দেখা যাচ্ছে, একটি গরুকে আদর করছেন বারাসতের সাংসদ। তিনি লিখেছেন, ‘মানবিক স্পর্শ এবং দায়বদ্ধতা’। ওই একই ছবি তিনি বিজেপির একটি পোস্টকে ট্যাগ করে ফের পোস্ট করেছেন যার ক্যাপশন— ‘সংযোগ এবং পরিচর্যা’।

রাজনৈতিক মহলে কাকলির এই জোড়া পোস্ট নিয়ে চলছে আলোচনা। তা বেড়েছে ৪ নভেম্বর বারাণসীতে কাকলির প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার সংবাদে। সেখানে প্রায় ৩ হাজার সাধুসন্তের অনুষ্ঠান, কাকলি থাকবেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের আন্তর্জাতিক সভাপতি অলোক কুমারের সঙ্গে। সংস্কৃতি সংসদ আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের থিম, ‘সংস্কৃতির বহু উৎস: ভারতেরএকটিই আত্মা’।

দল ছেড়ে বিজেপির শরিক দল হওয়ার পথে রয়েছে এনসিপিআই। সে ক্ষেত্রে কাকলির এই গেরুয়াকরণ কি সহজাত? না কি বিজেপি ঘনিষ্ঠতার রাজনৈতিক প্রয়োজন রয়েছে এই আপাত অনিশ্চিত যাত্রাপথে? মমতাপন্থী তৃণমূল মনে করিয়ে দিচ্ছে, নভেম্বরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় রদবদল হতে পারে। তবে কাকলির কথায়, “বিজ্ঞানের সঙ্গে আধ্যাত্মিকতার কোনও বিরোধ নেই। এই সংস্থার বারাসত শাখা অনেক দিন যোগাযোগ রাখত। বক্তৃতায় গঙ্গার দূষণ দূর করা নিয়েও কথা বলব।”

এনসিপিআই আপাতত অপেক্ষা করছে স্পিকারের জবাব পাওয়ার জন্য। দলের মধ্যে কেউ কেউ উত্তর দিতে শুরু করেছেন। কাকলি জানাচ্ছেন, মামলা হলে তো সময় যা লাগার লাগবেই। তা ছাড়া কেউ যদি দল ছেড়ে যেতে চায়, তাকে আটকানোর চেষ্টা করা বাতুলতা। স্বেচ্ছায় প্রাপ্তবয়স্ক কোনও ব্যক্তি যদি বিচ্ছেদ চান, তা হলে তাঁকে জোর করে আটকানো রাজনৈতিক অপরিপক্বতা। প্রতিক্রিয়ায় মমতা তৃণমূলের প্রবীণ সাংসদ সৌগত রায়ের যুক্তি, “তা হলে তো দেশে দলত্যাগবিরোধী আইন, দশম তফসিলের মতো বিষয়গুলিই থাকত না। আমাদের দেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রে যদি এই আইন না থাকে, তা হলে তো ব্যবস্থাই টিকিয়ে রাখা যাবে না। লোভ বা ভয়ের বশবর্তী হয়ে যে যেখানে পারবেন চলে যাবেন।”

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Nationalist Citizens Party of India (NCPI)

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy