Advertisement
E-Paper

বিপদসীমা না-ছুঁলেও ঘোলা জল বাড়ছে সঙ্কোশ নদীতে, ভুটানের হ্রদভাঙা বানের জেরে উত্তরবঙ্গে দুর্যোগের শঙ্কা পুরোপুরি কাটেনি

ভুটানের হড়পা বানের জেরে সবচেয়ে আতঙ্কে রয়েছেন সঙ্কোশ নদীর তীরবর্তী এলাকায় থাকা বাসিন্দারা। বৃহস্পতিবার রাতে সতর্কতা জারি করা হলেও শুক্রবার সকালে সঙ্কোশের জলস্তর খুব একটা বাড়েনি। কিন্তু বেলায় নদীতে হঠাৎই ঘোলা জল বাড়তে থাকে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ৩০ অক্টোবর ২০২৬ ১২:৩৭

গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম

হিমবাহ সৃষ্ট হ্রদ ফেটে দুর্যোগ নেমে এসেছে ভুটানে। আর তার জেরে বানভাসি হতে পারে উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ অংশ। তোর্সা, জলঢাকা, সঙ্কোশ, রায়ডাকের মতো নদীগুলি ভুটান থেকে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করেছে। তবে ভুটানের হড়পা বানের জেরে সবচেয়ে আতঙ্কে রয়েছেন সঙ্কোশ নদীর তীরবর্তী এলাকায় থাকা বাসিন্দারা। বৃহস্পতিবার রাতে সতর্কতা জারি করা হলেও শুক্রবার সকালে সঙ্কোশের জলস্তর খুব একটা বাড়েনি। কিন্তু বেলায় নদীতে হঠাৎই ঘোলা জল বাড়তে থাকে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উত্তর-পশ্চিম ভুটানের গাসা জেলার শিন্টাফু হ্রদ থেকে আচমকা বিপুল পরিমাণ জল বেরিয়ে আসে। হিমবাহগলা জল জমে তৈরি হয়েছে হ্রদটি। জলের তোড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় গাসা শাচু উষ্ণ প্রস্রবণ সংলগ্ন পরিকাঠামো। জলস্তর বেড়ে যায় মো ছু নদীর। হড়পা বানের জেরে ভুটানে কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা এখনও পুরোপুরি জানা যায়নি। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, পুনাখায় একটি জলসেচ প্রকল্প আংশিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছে পুনাখা-গাসা সড়কের একাংশ।

হিমবাহ থেকে তৈরি হওয়া ভুটানের যে ১৭টি হ্রদ বিপজ্জনক বলে চিহ্নিত হয়েছে, সেগুলির মধ্যে শিন্টাফু অন্যতম। ২০২১ সালের ২৬ অগস্ট এই হ্রদের জল হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় মো ছু নদীতে হড়পা বান নেমেছিল। নদীটি খাত পরিবর্তন করেছিল। সেই সময়েও ধুয়ে গিয়েছিল উষ্ণ প্রস্রবণটি।

সঙ্কোশ নদী ভুটানে পুনা সাং চু নামে পরিচিত। উত্তর ভুটানে তৈরি হওয়া নদী অসম, পশ্চিমবঙ্গ হয়ে ব্রহ্মপুত্রে গিয়ে পড়েছে। এই নদীর দুই বৃহত্তম উপনদীর অন্যতম হল মো ছু। স্বাভাবিক ভাবেই হ্রদভাঙা বানের জেরে মো ছুতে জল বাড়লে তার প্রভাব পড়বে সঙ্কোশেও।

উত্তরবঙ্গের ভুটান সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে বন্যার সতর্কতা জারি হওয়ার পরেই সঙ্কোশ নদী তীরবর্তী এলাকা থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে ত্রাণশিবিরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। অনেকে আবার আতঙ্কে জাতীয় সড়কের উপরেই রাত কাটান। তবে সকালে সঙ্কোশের শান্ত রূপ দেখে কুমারগ্রাম ব্লকের অনেক বাসিন্দাই বাড়ি ফিরতে চাইছিলেন। কেউ কেউ বাড়ি ফিরতেও শুরু করেছিলেন। কিন্তু বেলায় সঙ্কোশে ফের ঘোলা জল বাড়তে থাকায় অনেকেই আবার ত্রাণশিবিরে ফিরে আসেন।

Flash flood Bhutan

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy