দিন শুরু করার আগে এক নজরে দেখে নিন খবরের দুনিয়ায় আজ কোন কোন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা রয়েছে।
আজ কলকাতায় আসছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। জ্ঞানেশ কুমার এবং কেন্দ্রকে বিঁধে ধারাবাহিক কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’। তাদের ওই কর্মসূচিকে পাল্টা দিতে মাঠে নেমেছে বিজেপিও। বিভিন্ন শহরে ঘুরে ঘুরে ‘লোকতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হটাও’ মিছিল করছেন বিজেপির শীর্ষনেতারা। সোমবার সেই মিছিলে যোগ দিতে কলকাতায় আসছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। দুপুর আড়াইটে নাগাদ বিশেষ বিমানে কলকাতায় পৌঁছোনোর কথা তাঁর। বিকেলে কলেজ স্ট্রিট থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মিছিল করবে বিজেপি। সেখানে যোগ দেবেন নিতিন। মিছিল শেষে বক্তৃতাও করার কথা তাঁর।
জ্ঞানেশ-বিরোধী বিক্ষোভ সমাবেশকে কেন্দ্র করে শাসক-বিরোধী তরজা অব্যাহত। রবিবার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে দিল্লির রামলীলা ময়দানে সভা করে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’। ১৯৮৪ সালে যে দিনে শিখবিরোধী হিংসা ছড়িয়ে পড়েছিল, সেই দিনেই কেন বিরোধীরা এই কর্মসূচির আয়োজন করল, তা নিয়ে তোপ দাগে বিজেপি। ‘ইন্ডিয়া’র সমাবেশের পাল্টা মিছিলও করে তারা। কোনও দিন প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না বলে রাহুল গাঁধীকে তোপ দাগেন অমিত শাহ। সোমবার ‘ইন্ডিয়া’ কিংবা এনডিএ-র কোনও ঘোষিত কর্মসূচি না-থাকলেও দু’পক্ষের চাপানউতর চলতে পারে আজও।
‘অর্ণবের’ পর আরও এক ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়ে গিয়েছে বঙ্গোপসাগরে। নাম ‘মুরাসু’। পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর থেকে তা ধীরে ধীরে এগোচ্ছে উপকূলের দিকে। মঙ্গলবার ভোরের দিকে অন্ধ্রপ্রদেশের দক্ষিণ উপকূলের কাছে পৌঁছোনোর কথা ঘূর্ণিঝড়টির। এর প্রভাবে অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে ফের ঝড়ের তাণ্ডবের আশঙ্কা রয়েছে। তবে এর তেমন কোনও প্রভাব পশ্চিমবঙ্গের উপকূলে পড়ছে না। ফলে আজ রাজ্যে ঝড়বৃষ্টির কোনও সতর্কতা নেই। কলকাতায় আংশিক মেঘলা থাকবে আকাশ। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও কিছু কিছু জায়গায় বিক্ষিপ্ত ভাবে হালকা বৃষ্টি হতে পারে। উত্তরবঙ্গেও কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
বাংলাদেশে নতুন করে অশান্তি দানা বাঁধতে শুরু করেছে। ন্যূনতম মাসিক বেতন বৃদ্ধির দাবিতে মিরপুর, গাজীপুর-সহ বেশ কিছু অঞ্চলে বিক্ষোভ শুরু করেছেন পোশাক শ্রমিকেরা। কোথাও কোথাও সেই বিক্ষোভ হিংসাত্মক রূপ নিতেও শুরু করেছে। রবিবার মিরপুরে, গাজীপুরে গাড়িতে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের উপরেও হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনায় ইতিমধ্যে ধরপারড়ও শুরু হয়েছে। পুলিশের দাবি, ধৃতদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের যোগসূত্র রয়েছে। পরিস্থিতি সামলাতে রবিবারই একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক সেরেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।