সোমবার একাধিক কর্মসূচি রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। সকাল সাড়ে ১০টায় সল্টলেকে বিজেপির দফতরে জনতার দরবারে বসবেন তিনি। এ ছাড়া আজ ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচি উপলক্ষে বিশেষ পদযাত্রার আয়োজন করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। মিছিলে যোগ দেবেন মুখ্যমন্ত্রী। বেলা ১টার পরে মিছিল ধর্মতলার নেতাজি মূর্তির পাদদেশ থেকে শুরু হয়ে বিড়লা তারামণ্ডল পর্যন্ত যাবে। অন্য দিকে, অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী। যাচাই প্রক্রিয়ায় কী কী বিষয় দেখা হয়েছে, কাদের আবেদন কেন বাতিল করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিশদ জানাবেন শুভেন্দু। সঙ্গে থাকবেন সংশ্লিষ্ট দফতরের মন্ত্রী মালতি রাভা রায়। নবান্নে সোমবার দুপুর ২টোয় সাংবাদিক বৈঠক হবে।
আজ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিদেশ যাওয়ার অনুমতি চেয়ে মামলার শুনানি রয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। চোখের চিকিৎসা করাতে চেয়ে তিনি আবেদন করেন। সোমবার ওই মামলার শুনবে শীর্ষ আদালত। বেলা ১২টা নাগাদ সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ অভিষেকের আবেদন শুনবে। আগেই কলকাতা হাই কোর্ট অভিষেকের বিদেশ যাওয়ার আবেদন খারিজ করেছিল।
আজ আবার উত্তাল হতে পারে সংসদের দুই কক্ষই। কংগ্রেস ইতিমধ্যেই বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’-র দলগুলির সাংসদদের সোমবার লোকসভা এবং রাজ্যসভায় উপস্থিত থাকার জন্য বলেছে। অনেকের মতে, আজও নিট বিতর্কে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জবাবদিহি চাইতে পারে বিরোধীরা। তার মধ্যেই রেল, শিক্ষা-সহ কয়েক মন্ত্রক তাদের বার্ষিক রিপোর্ট সংসদে পেশ করতে পারে। সূত্রের খবর, চলতি সপ্তাহেই সংসদে বৈদেশিক অনুদান (নিয়ন্ত্রণ) সংশোধনী বিল (এফসিআরএ) পেশ করতে পারে কেন্দ্র। সেই নিয়ে তোড়জোড়ও শুরু হয়ে গিয়েছে। এখন থেকেই এই সংশোধনী বিল নিয়ে আপত্তি তুলেছে বিরোধীরা। বিল পেশের পর তা নিয়ে হইহট্টগোল হতে পারে সংসদে। সোমবার সেই বিল পেশ হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে বিরোধীরা চাইছে এফসিআরএ বিল পেশের আগে নিজেদের শক্তি যাচাই করে নিতে।
ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে সোমবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাতের কথা রয়েছে। আসন্ন ব্রিক্স সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য তারেককে আমন্ত্রণ জানিয়েছে নয়াদিল্লি। তবে বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমের খবরে প্রকাশ, হাসিনা-বিতর্কের আবহে সে দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়তো ভারত সফরে আসবেন না। এই প্রেক্ষাপটে তারেক-দীনেশ সাক্ষাৎ তাৎপর্যপূর্ণ।
বাম শ্রমিক এবং কৃষক সংগঠনগুলির ডাকে আজ দেশ জুড়ে জেল ভরো কর্মসূচি রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরে এটাই বামেদের সার্বিক রাজ্য জোড়া কর্মসূচি হতে চলেছে।
সক্রিয় রয়েছে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু। তার প্রভাবে ঝড়বৃষ্টি আপাতত থামছে না রাজ্যে। দক্ষিণবঙ্গের ছয় জেলায় সোমবারও থাকছে ঝড়বৃষ্টির সতর্কতা। সপ্তাহের মাঝামাঝি কয়েক জেলায় আবার শুরু হবে ভারী বৃষ্টি। উত্তরবঙ্গে দুর্যোগের পূর্বাভাস আপাতত নেই। তবে ঝড়বৃষ্টি চলবে।