E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

অভিযোগ অস্বীকার দু’জন পুলিশকর্তার

নতুন সরকার প্রশাসনিক কাজ শুরু করার চার দিনের মাথায় আর জি কর-কাণ্ডের সময়ে কলকাতা পুলিশের তৎকালীন পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল, ডিসি (উত্তর) অভিষেক গুপ্ত এবং ডিসি (সেন্ট্রাল) ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়কে সাসপেন্ড করেছিল।

চন্দ্রপ্রভ ভট্টাচার্য

শেষ আপডেট: ১৩ অগস্ট ২০২৬ ০৮:০২
(বাঁ দিক থেকে) অভিষেক গুপ্ত , বিনীত গোয়েল এবং ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়।

(বাঁ দিক থেকে) অভিষেক গুপ্ত , বিনীত গোয়েল এবং ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে পড়ুয়া-চিকিৎসকের ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার পরে পুলিশের কী ভূমিকা ছিল, তা ইতিমধ্যেই আতশকাচের তলায়। প্রশাসনিক সূত্রের খবর, দু’জন পুলিশ আধিকারিক তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এই মর্মে তাঁরা লিখিত বক্তব্য সরকারের কাছে পাঠিয়েছেন বলেও সূত্রের খবর। যদিও সরকারি ভাবে রাজ্য সরকারের তরফে এ নিয়ে মুখ খোলা হয়নি।

নতুন সরকার প্রশাসনিক কাজ শুরু করার চার দিনের মাথায় আর জি কর-কাণ্ডের সময়ে কলকাতা পুলিশের তৎকালীন পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল, ডিসি (উত্তর) অভিষেক গুপ্ত এবং ডিসি (সেন্ট্রাল) ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়কে সাসপেন্ড করেছিল। তাঁদের ভূমিকা নিয়ে বিভাগীয় তদন্তের সিদ্ধান্তও নিয়েছিল। এমন সরকারি প্রক্রিয়ায় নিজেদের বক্তব্য জানানোর সুযোগ থাকে অভিযুক্তের। সেই বিধি অনুসরণ করে জবাব চাওয়া হয়েছিল সংশ্লিষ্টদের কাছে। দুই পুলিশ আধিকারিক অভিযোগগুলি অস্বীকার করেছেন। এক জন এখনও জবাব দেননি বলে প্রশাসনিক সূত্রের দাবি। সেই মহল আরও জানাচ্ছে, অন্যতম অভিযোগ ছিল—পড়ুয়া-চিকিৎসকের দেহ পরিবারকে দেখতে দেওয়া হয়নি। তাতে পুলিশের ভূমিকাকে কাঠগড়ায় তোলা হয়েছিল। সেই সিদ্ধান্ত বা নির্দেশ ছিল না বলে দাবি করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট দুই পুলিশ আধিকারিকের তরফে। এই বয়ানে নিচুতলার পুলিশকর্মীদের ভূমিকা নতুন করে প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে। তবে এত বড় একটা ঘটনায় নিচুতলার কোনও পুলিশকর্মী এতটা সাহস দেখিয়ে নিজেদের মতো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন কি না, প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে তা নিয়েও।

অভিজ্ঞ কর্তাদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিজেদের বক্তব্য জানানোর অধিকার অভিযুক্তদের কাছে রয়েছে। সরকার তা মানবে কি না, তা তাদের উপর নির্ভর করে। ফলে বিভাগীয় তদন্তের ব্যাপারে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিতে হবে রাজ্য সরকারকে। তাতে পুলিশ আধিকারিকদের দাবির সঙ্গে তদন্তকারীরা একমত না হলে তদন্ত চলবে। সেই সঙ্গে প্রতিটি অভিযোগের সাপেক্ষে প্রমাণ জোগাড় করতে হবে প্রশাসনকে।

গত ১৫ মে এক সাংবাদিক বৈঠকে পুলিশ আধিকারিকদের সাসপেন্ড এবং বিভাগীয় তদন্তের কথা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, “বিভাগীয় তদন্তের সময়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য শোনা হবে। দরকারে শোনা হবে নির্যাতিতার পরিবারের অভিজ্ঞতাও। ফোন-কল এবং ওয়টস্যাপ-চ্যাট খতিয়ে দেখা হবে। দেখা হবে, মুখ্যমন্ত্রী বা মন্ত্রীদের কোনও নির্দেশ ছিল কি না।”

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
RG Kar Case RG Kar Medical College And Hospital

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy