ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক অসাম্য দূর করতে সক্রিয় হয়েছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার। বৃহস্পতিবার সে দেশের জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এ কথা জানিয়েছেন তারেক মন্ত্রিসভার বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির।
লিখিত বিবৃতিতে মুক্তাদিরের দাবি, বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ভারসাম্যহীনতা দূর করতে আমদানি নির্ভরতা হ্রাস এবং রফতানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেকের সরকার দ্বিপাক্ষিক ‘কম্প্রেহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট’ (সিইপিএ) কার্যকর করতে উদ্যোগী হয়েছে। তবে জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে বাণিজ্যমন্ত্রী মুত্তাদির হাজির ছিলেন না। তাঁর লিখিত বিবৃতি পাঠ করেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী শরিফুল আলম।
তারেকের নেতৃত্বাধীন বিএনপি এ বার জাতীয় সংসদের নির্বাচনেই ভারতের সঙ্গে সিইপিএ (যা আদতে ‘দ্বিপাক্ষিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি’) কার্যকরের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। মুক্তাদিরের বিবৃতি জানাচ্ছে, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ১১৩৮ কোটি ৮৩ লক্ষ ৩০ হাজার মার্কিন ডলারের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য হয়েছিল। এর মধ্যে বাংলাদেশ রফতানি করেছিল ১৭৬ কোটি ৪২ লক্ষ ৩০ হাজার ডলারের পণ্য। তিনি জানান, ঢাকার লক্ষ্য হল রফতানি অঙ্ককে বাড়িয়ে ‘বাণিজ্যিক অসাম্য’ দূর করা।