Advertisement
E-Paper

ভারতের সঙ্গে করা ১০১ মউয়ের ভবিষ্যৎ কী হবে? এখনও চূড়ান্ত করেনি বাংলাদেশ! দাবি, পর্যালোচনা হচ্ছে, সিদ্ধান্ত দ্রুত জানানো হবে

হাসিনার আমলে দিল্লির সঙ্গে একাধিক মউ স্বাক্ষর করেছিল ঢাকা। এ বার সেই মউগুলি পর্যালোচনা করে দেখছে ঢাকা। চট্টগ্রাম এবং মোংলা বন্দর সংক্রান্ত সমঝোতাও খতিয়ে দেখছে তারা।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৭:০০
(বাঁ দিকে) বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (ডান দিকে)।

(বাঁ দিকে) বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (ডান দিকে)। — ফাইল চিত্র।

ভারতের সঙ্গে স্বাক্ষর করা শতাধিক মউয়ের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা এখনও চূড়ান্ত করেনি বাংলাদেশ। মূলত শেখ হাসিনার আমলে এই মউগুলি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। বাংলাদেশের দাবি, ওই মউগুলির পর্যালোচনা চলছে। তার ভিত্তিতে কী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হচ্ছে, তা শীঘ্রই জানিয়ে দেওয়া হবে।

শুক্রবার ঢাকায় বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির কাছে ওই মউগুলির ভবিষ্যৎ নিয়ে জানতে চাওয়া হয়। বিশেষ করে চট্টগ্রাম এবং মোংলা বন্দর ব্যবহারের বিষয়ে ভারত-বাংলাদেশ মউ নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। উত্তরে নূরুল বলেন, “আমরা চুক্তিগুলি, মানে ১০১টি মউ নিয়ে আলোচনা করছি। সেটার ফল আপনারা দ্রুত জানতে পারবেন।”

হাসিনার আমলে, ২০১৫ সালের জুনে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহারের বিষয়ে মউ স্বাক্ষরিত হয়েছিল। পরে ২০১৮ সালের অক্টোবরে ওই ব্যবস্থাকে কার্যকর করার জন্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। দিল্লির এক হোটেলে দু’দেশের জাহাজ মন্ত্রক এই সমঝোতাপত্রে স্বাক্ষর করে। সমঝোতার বিষয় হল, উত্তর পূর্ব ভারতে পণ্য সরবরাহের জন্য চট্টগ্রাম এবং মোংলা বন্দর ব্যবহার করা। হাসিনা জমানায় ভারতের সঙ্গে এমন আরও বিভিন্ন মউ স্বাক্ষর করেছিল বাংলাদেশ। এ বার ওই মউগুলি পর্যালোচনা করে দেখতে শুরু করেছে ঢাকা।

২০২৪ সালের অগস্টে হাসিনার সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে দিল্লি-ঢাকা সম্পর্কে এক চাপানউতর তৈরি হয়েছিল। চলতি বছরের শুরুতে তারেক রহমানের সরকার ক্ষমতায় আসার পর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মসৃণ করার বিষয়ে উদ্যোগী হয় দু’দেশেই। তবে গত অগস্টে দিল্লিতে হাসিনার এক ভার্চুয়াল সাংবাদিক বৈঠক ঘিরে ফের দু’দেশের মধ্যে টানাপড়েন শুরু হয়। এরই মধ্যে ব্রিক্‌স সম্মেলনের আউটরিচ পর্বে যোগ দেওয়ার জন্য বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল দিল্লি। দ্বিপাক্ষিক সফরের জন্যও আলাদা আমন্ত্রণ জানানো হয় তাঁকে। তবে বাংলাদেশ জানিয়েছে, তারেক ব্রিক্‌স সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন না এবং কোনও সরকারি প্রতিনিধিও পাঠানো হবে না। দ্বিপাক্ষিক সফরের বিষয়েও এখনও কোনও দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়নি।

India Bangladesh Ties Tarique Rahman Bangladesh

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy