চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ব্রিক্স সম্মেলনের সময়ে স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে জ্ঞান হারিয়েছিলেন এবং চিকিৎসার জন্য বিশেষ বিমানে তাঁকে চিনে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল—এমনই দাবি করলেন চায়না ডেমোক্রেসি পার্টির চেয়ারম্যান ওয়ানজুন শিয়ে। তবে এ বিষয়ে চিন সরকারি ভাবে কিছু জানা যায়নি এবং এই দাবির সত্যাসত্যও নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি। পোস্টটিতে থাকা তথ্য বাস্তব তথ্যের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ হওয়ায় সেটিতে এক্স-এর ‘কমিউনিটি নোট’ যোগ করা হয়েছে। অন্য দিকে, ব্রিক্স সম্মেলনফেরত সাউথ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামফোসাও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন ।
সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে চিনের ডেমোক্রেসি পার্টির নেতা লিখেছেন, দিল্লিতে জরুরি ভিত্তিতে চিনের প্রেসিডেন্টের চিকিৎসা করেন তাঁর সঙ্গে থাকা চিকিৎসকেরা। তার পরেই তাঁকে নিয়ে চিনের উদ্দেশে রওনা দেয় বিশেষ বিমান। বেজিং বিমানবন্দরে ওই বিমান পৌঁছোনোর পরে শি-কে তোলা হয় সামরিক কপ্টারে। সেখান থেকে বেজিংয়ের ৩০১ নম্বর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। সেখানেই হয় অস্ত্রোপচার।
ওয়ানজুনের দাবি, শি-র মেডিক্যাল বোর্ড মনে করছে তাঁর ইস্কিমিক স্ট্রোক (সেরিব্রাল ইনফার্কশন) হয়েছে। প্রসঙ্গত, এই ধরনের স্ট্রোকে মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। ডেমোক্রেসি পার্টির নেতার দাবি, ‘‘ভারতের কোনও হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে সম্মত হননি প্রেসিডেন্ট।’’ চিকিৎসা করালে শি-র স্বাস্থ্য সংক্রান্ত তথ্য ভারতের হাতে চলে যেতে পারে এই আশঙ্কা থেকেই চিনের প্রেসিডেন্ট এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলেও দাবি ওয়ানজুনের। উল্লেখ্য, শি-র সফরের তালিকায় ছিল আমেরিকা। তবে তা এখনই সম্ভব হবে কিনা, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন:
অন্য দিকে, ব্রিক্স সম্মেলন থেকে ফেরার পরে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্টের দফতর থেকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানানো হয়েছে, অসুস্থতার কারণে চিকিৎসকেদের পরামর্শে তিনি বিশ্রামে আছেন। এই সময়ে কোনও জনসংযোগমূলক কর্মসূচিতে তিনি যোগ দেবেন না। এই সময়ে দেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন মন্ত্রিসভার সদস্যেরা। তবে ভারত সফরকালেই নাকি দেশে ফেরার পরে তিনি অসুস্থ হয়েছেন সেই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট ভাবে কিছু জানা যায়নি। উল্লেখ্য, সাউথ আফ্রিকার ডেপুটি প্রেসিডেন্টও চিকিৎসকেদের পরামর্শে বিশ্রামে রয়েছেন।