Advertisement
E-Paper

২০২০-র প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ফলাফল বদল, ভোটারদের তথ্য চুরি করে চিন! অভিযোগ তুলে তদন্তের নির্দেশ দিলেন ট্রাম্প

ট্রাম্পের অভিযোগ, ২০২০ সালের নির্বাচনে ২২ কোটি মার্কিন ভোটারের তথ্য চুরি করেছিল চিন। বিষয়টিকে বিশ্বের ইতিহাসে বৃহত্তম তথ্যচুরির ঘটনা বলে অভিহিত করে ট্রাম্প বেজিঙের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৭ জুলাই ২০২৬ ০৯:০৩
(বাঁ দিকে) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং (ডান দিকে)।

(বাঁ দিকে) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।

২০২০ সালে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফল বদলে দেওয়া হয়েছিল। পুরনো অভিযোগেই ফের শান দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওই নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেনের কাছে হেরে গিয়েছিলেন রিপাবলিকান পার্টির ট্রাম্প। ট্রাম্পের অভিযোগ, ওই নির্বাচনে ২২ কোটি মার্কিন ভোটারের তথ্য চুরি করেছিল চিন। বিষয়টিকে বিশ্বের ইতিহাসে বৃহত্তম তথ্যচুরির ঘটনা বলে অভিহিত করে ট্রাম্প বেজিঙের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থার সুরক্ষা নিয়ে প্রায় ২৫ মিনিট জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসের ইস্ট রুম থেকে দেওয়া এই ভাষণে তিনি বলেন, “আজ (বৃহস্পতিবার) রাতে আমি গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দাতথ্য প্রকাশ করার নির্দেশ দিচ্ছি। তা হলে আমাদের নির্বাচনী ব্যবস্থার ভয়ঙ্কর ত্রুটিগুলো প্রকাশ্যে চলে আসবে।” ট্রাম্পের দাবি, ২০২০ সালে মার্কিন ভোটারদের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতিয়ে নিয়েছিল চিন। তাঁর কথায়, “অনেক বছর ধরেই, বিশেষত ২০২০ সালের নির্বাচন থেকে চিন ইতিহাসের বৃহত্তম নির্বাচনী তথ্যচুরির কাজ শুরু করে। অবৈধ ভাবে আমেরিকার ২২ কোটি ভোটারের তথ্য দখল করে নেওয়া হয়।”

এই তথ্যের মধ্যে ভোটারের নাম, বাড়ির ঠিকানা, ফোন নম্বর, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কোন দলকে সমর্থন করেন— এই সমস্ত ছিল বলে দাবি ট্রাম্পের। ট্রাম্পের এ-ও দাবি, চিনের এই পদক্ষেপ প্রমাণ করে দেয় যে, যে কোনও বিদেশি শক্তি আমেরিকার নির্বাচনে নাক গলাতে পারে। সরকারি গোয়েন্দাতথ্যকে উদ্ধৃত করে ট্রাম্পের দাবি, চিন, রাশিয়া, উত্তর কোরিয়ার মতো আমেরিকা-বিরোধী শক্তি মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে প্রভাবিত করার ক্ষমতা রাখে।

নিজের বক্তব্যের মাঝেই মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাকে চিনের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করার নির্দেশ দেন ট্রাম্প। ট্রাম্পের এই সংক্রান্ত অভিযোগ অবশ্য নতুন নয়। আগেও ২০২০ সালের নির্বাচনে ভোটের ফল বদলে দেওয়ার অভিযোগ করেছিলেন তিনি। কিন্তু মার্কিন গোয়েন্দারা যাবতীয় তথ্য বিশ্লেষণ করে জানিয়েছিলেন, ফল বদলানোর কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। যদিও ট্রাম্পের দাবি, মার্কিন গোয়েন্দারা চিনের ভূমিকা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।

ট্রাম্পের নয়া অভিযোগ প্রসঙ্গে আমেরিকার চিনা দূতাবাসের মুখপাত্র লিউ চ্যাং সংবাদসংস্থা রয়টার্সকে বলেন, “চিন কখনও আমেরিকা প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করেনি। ভবিষ্যতেও করবে না।”

US President Election Donald Trump

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy