E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

ফিরছেন কি নেতানিয়াহু, ভোট দিল ইজ়রায়েল

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর। ইজ়রায়েলের উপরে হামলা চালিয়েছিল প্যালেস্টাইনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। হামাসকে ‘শিক্ষা দিতে’ গাজ়া ভূখণ্ডে গত কয়েক বছর ধরে সংগঠিত গণহত্যার অভিযোগ উঠেছে নেতানিয়াহু সরকারের বিরুদ্ধে।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ২৮ অক্টোবর ২০২৬ ০৭:৪২
বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।

বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। — ফাইল চিত্র।

এই মুহূর্তে বিশ্বের অন্যতম বিতর্কিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব তিনি। সেই বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর ভাগ্য নির্ধারিত হতে চলেছে শীঘ্রই। আজ ইজ়রায়েলে সাধারণ নির্বাচন ছিল। দেশের কেন্দ্রীয় নির্বাচনী কমিটির তরফে জানানো হয়েছে, দুপুরের মধ্যে ৩১ শতাংশেরও বেশি ভোট পড়েছে। ভোটদানের এই হার গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে আবারও কি ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ‘বিবি’-ই বসতে চলেছেন? সে দিকেই এখন নজর বিশ্বের।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর। ইজ়রায়েলের উপরে হামলা চালিয়েছিল প্যালেস্টাইনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। হামাসকে ‘শিক্ষা দিতে’ গাজ়া ভূখণ্ডে গত কয়েক বছর ধরে সংগঠিত গণহত্যার অভিযোগ উঠেছে নেতানিয়াহু সরকারের বিরুদ্ধে। চলতি বছরের গোড়ায় আমেরিকান সেনাবাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে ইরানেও আক্রমণ শুরু করে ইজ়রায়েল। এই আবহে দেশের এই সাধারণ নির্বাচন নেতানিয়াহু এবং তাঁর জোটসঙ্গীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে।

আজ স্থানীয় সময় সকাল ৭টা থেকে শুরু হয়েছিল ভোটগ্রহণ। চলে সন্ধে ৭টা পর্যন্ত। জেরুসালেমের একটি বুথে গিয়ে ভোট দিয়েছেন নেতানিয়াহু। সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী সারা। দেশের নির্বাচনী কমিটি জানাচ্ছে, আজ ভোটারদের মধ্যে উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। ১৯৭৭ সালে প্রথম বারের জন্য বামপন্থী সরকারকে সরিয়ে ইজ়রায়েলে উত্থান হয়েছিল দক্ষিণপন্থী দলগুলির। তার পর থেকে এই হারে ভোটদান দেখেনি ইজ়রায়েল। ভোটগ্রহণ শুরুর ঘণ্টা পাঁচেক পরে দেশবাসীকে ভোট দেওয়ার জন্য উৎসাহিত করেন প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। এ বারের নির্বাচনে নেতানিয়াহুর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজ়েনকট। সেনাবাহিনীর প্রাক্তন এই প্রধান ইজ়রায়েলে রাজনৈতিক পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখছেন। মধ্য ও দক্ষিণপন্থী দলগুলিকে সঙ্গে নিয়ে সরকার গড়ার কথা ভাবছেন আইজ়েনকট। যদিও নির্বাচনের পূর্ববর্তী সমীক্ষাগুলি জানাচ্ছে, লড়াই হতে চলেছে হাড্ডাহাড্ডি। খুব সহজে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না কোনও পক্ষই। ১২০ আসনের পার্লামেন্টে কোনও দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে পরবর্তী নির্বাচন পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত শাসক হিসেবে দেশ পরিচালনা করবেন নেতানিয়াহু-ই।

ভোটগ্রহণ বন্ধ হলেই দেশের সংবাদ চ্যানেলগুলিতে দেখানো শুরু হবে বুথ ফেরত সমীক্ষা। তবে ফলাফল পরিষ্কার হতে পারে আগামী ৪ নভেম্বর। গণনা করতে আগামী কয়েক দিন লাগতে পারে। কোনও প্রার্থী সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে গেলে তা আগামী শুক্রবারের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যাবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। কিন্তু সেটা না হলে ভোটের আনুষ্ঠানিক ফল প্রকাশ করতে সপ্তাহ পেরিয়ে যেতে পারে। সংবাদ সংস্থা

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Benjamin Netanyahu

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy