Advertisement
E-Paper

১০ বছরের আগে মক্কা চুক্তি থেকে বেরোতে পারবে না পাকিস্তান-সহ দুই দেশ! শর্তাবলি প্রকাশ্যে

চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, কোনও একটি দেশের উপর আক্রমণ হলে অপর দেশগুলিও তার পাশে দাঁড়াবে। যুদ্ধ-সরঞ্জাম দিয়ে সাহায্য করবে। অর্থাৎ, কোনও একটি দেশের উপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের উপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২১ অক্টোবর ২০২৬ ১২:১০

চাইলেও ১০ বছরের আগে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি থেকে বেরোতে পারবে না পাকিস্তান, তুরস্ক এবং সৌদি আরব। চুক্তির যে ১৬ দফা শর্ত রয়েছে, সেখানেই এই বিষয়টির উল্লেখ রয়েছে বলে দাবি করেছে পশ্চিম এশিয়ার একাধিক সংবাদমাধ্যম। এই চুক্তি থেকে বেরোতে হলে তিন মাসের নোটিস দিতে হবে সংশ্লিষ্ট দেশগুলিকে।

গত ৭ অগস্ট সৌদি আরবের মক্কায় সৌদি আরব, তুরস্ক এবং পাকিস্তানের মধ্যে মক্কা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির মাধ্যমে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে তিন দেশ একে অন্যের পাশে থাকার ঘোষণা করে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, কোনও একটি দেশের উপর আক্রমণ হলে অপর দেশগুলিও তার পাশে দাঁড়াবে। যুদ্ধ-সরঞ্জাম দিয়ে সাহায্য করবে। অর্থাৎ, কোনও একটি দেশের উপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের উপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। কেউ কেউ এই প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ‘ইসলামীয় নেটো’ বলেও বর্ণনা করছেন।

তবে শর্ত অনুযায়ী, চুক্তির ন্যূনতম ১০ বছরের মেয়াদকাল শুরু হবে স্বাক্ষরিত দেশগুলির সচিবালয়ে এটি অনুমোদন পাওয়ার পরেই। এ ক্ষেত্রে চুক্তি স্বাক্ষরের দিনটিকে গ্রাহ্য করা হবে না।

গত কয়েক দিন ধরেই সৌদির জনবসতি এবং অর্থনৈতিক ভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকা লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে ইরান সমর্থিত শিয়া সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথি। হুথিকে রুখতে রিয়াধ তো বটেই, ইয়েমেন সরকারও সামরিক অভিযান শুরু করেছে। তার পরেও সৌদির গুরুত্বপূর্ণ শহর, তেল উত্তোলনকেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলা চালানো অব্যাহত রেখেছে হুথি।

মক্কা চুক্তিতে অন্যতম স্বাক্ষরকারী দেশ হলেও সৌদিতে প্রথমে সেনা পাঠানোর বিষয়ে ইতিবাচক কোনও বার্তা দেয়নি ইসলামবাদ।

সেপ্টেম্বরে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ বলেছিলেন, “যদি বিনা প্ররোচনায় আগ্রাসন দেখানো হয়, অথবা ইয়েমেন কিংবা সৌদি আরবে যা হচ্ছে, তাতে এটা বলাই যায় মক্কা চুক্তি কার্যকর করা হবে।” অনেকেই মনে করেছিলেন পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী সৌদির পাশে দাঁড়িয়ে হুথির বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরার বার্তা দিয়েছেন। পরে অবশ্য ইসলামাবাদ স্পষ্ট করে, চুক্তিটি মূলত প্রতিরক্ষামূলক এবং এর অর্থ স্বয়ংক্রিয় ভাবে পাক সেনাকে সামরিক অভিযানে পাঠানো নয়। তার পর অবশ্য চুক্তির শর্তে মেনেই হুথিকে রুখতে সৌদিতে সেনা পাঠাতে রাজি হন শাহবাজ় শরিফেরা।

Pakistan Saudi Arab Turkey

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy