গত অগস্টের ভয়াবহ প্লাবনের ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আগেই বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে ফের ভারী বৃষ্টি ও নতুন বন্যার আশঙ্কার মুখে নেপাল। গত ২৪ ঘণ্টায় পালপায় ১৮৭ মিলিমিটারের বেশি এবং গণ্ডকী, লুম্বিনী ও বাগমতী প্রদেশের বেশ কিছু জায়গায় ১০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। নেপালের জলবিজ্ঞান ও আবহাওয়া বিভাগ পূর্বাভাসে জানিয়েছে, কোশী, বাগমতী, গণ্ডকী, লুম্বিনী ও কার্নালী প্রদেশে মাঝারি থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। গোর্খা, কাস্কি, বার্দিয়া, কৈলালী-সহ ১২টি জেলাকে প্লাবনের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
এখনও গত অগস্টের বন্যায় বিধ্বস্ত নেপালে নিখোঁজ ৫২৮৫ জন। সব মৃতদেহ শনাক্ত করা যায়নি। রসুয়া ও ধাদিংয়ের মধ্যে ৪০ কিলোমিটার সড়ক এবং ৪১টি সেতু সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। এরই মধ্যে ফের নতুন বৃষ্টিতে পৃথ্বী হাইওয়ের সাতটি জায়গায় ধস নেমেছে। রসুয়ার বিচ্ছিন্ন এলাকায় ড্রোন ও হেলিকপ্টারের মাধ্যমে জরুরি ত্রাণ পাঠানো হচ্ছে।
সাম্প্রতিক ভোটেকোশী-ত্রিশূলী বন্যার প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রপুঞ্জে নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহ বার্তা দিয়েছেন, নেপাল বিশ্বের গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনে ০.১ শতাংশেরও কম শরিক হলেও জলবায়ু পরিবর্তনের মাসুল গুনতে হচ্ছে হিমালয় অঞ্চলকে। উপগ্রহ-তথ্য বিনিময়, হিমবাহ হ্রদ নজরদারি ও যৌথ সতর্কবার্তা চালুর মাধ্যমে হিমালয়কে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার গবেষণাগারে পরিণত করার আহ্বান জানান তিনি। প্রস্তাব দেন, ভারত, চিন ও নেপালকে নিয়ে ‘হিমালয়ান ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স মেকানিজ়ম’ গড়ার। সংবাদ সংস্থা