E-Paper
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে

বাংলাদেশে কি নিশানায় অধ্যাপকেরা, উঠছে প্রশ্ন

২০২৪ সালের অগস্টে বাংলাদেশে পালাবদলের পর থেকে মুক্তিযুদ্ধের সমর্থক শিক্ষক-অধ্যাপকদের উপরে সরকারি দমনপীড়ন নেমে এসেছে বলে অভিযোগ বাংলাদেশের শিক্ষা মহলের একটি অংশের।

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ৩১ অগস্ট ২০২৬ ০৯:১২
শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনা। ফাইল চিত্র।

বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘দেশে ফিরিয়ে আনার’ লক্ষ্যে ‘রাষ্ট্রবিরোধী গোপন তৎপরতা’য় জড়িত— এমনই দাবি তুলে সে দেশের ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের চার শতাধিক অধ্যাপককে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে বলে অভিযোগ। গোটা বিষয়টির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ। তাদের অভিযোগ, একটি ভুয়ো খবরের ভিত্তিতে বিপুল সংখ্যক অধ্যাপক-অধ্যাপিকাকে নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে।

২০২৪ সালের অগস্টে বাংলাদেশে পালাবদলের পর থেকে মুক্তিযুদ্ধের সমর্থক শিক্ষক-অধ্যাপকদের উপরে সরকারি দমনপীড়ন নেমে এসেছে বলে অভিযোগ বাংলাদেশের শিক্ষা মহলের একটি অংশের। সম্প্রতি বাংলাদেশের একটি অনলাইনের খবরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, ‘শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে কার্যক্রম-নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে গোপন তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন দেশের ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ শিক্ষক। পুরো বিষয়টি সমন্বয় করা হয় মেসেজিং অ্যাপ টেলিগ্রামে খোলা সিক্রেট গ্রুপের মাধ্যমে’। এর পরেই এই সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-সহ বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং নোটিসপাঠানো হয়েছে।

সূত্রের খবর, তদন্ত শেষ বা অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার আগেই ৪০৪ জন অধ্যাপকের বিরুদ্ধে নানা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছ। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক আব্দুল ওদুদ, মো. নজরুল ইসলাম এবং মোবারক হোসেনের বেতন বন্ধের অভিযোগ উঠেছে। পদোন্নতি আটকে দেওয়া, বিভাগীয় ও পাঠদান কার্যক্রম থেকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটছে বলেও খবর। চিকিৎসার জন্য বিদেশ ভ্রমণের ‘নো অবজেকশন সার্টিফিকেট দেওয়া হচ্ছে না। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক মাহবুবুর রহমানের ঘরে ভাঙচুর ও তাঁকে হেনস্থার অভিযোগ উঠেছে।

ওই খবর প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের দাবি, প্রতিবেদনটিতে কিছু বিচ্ছিন্ন ‘স্ক্রিনশট’ ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশনের মাধ্যমে শিক্ষকদের ভয় দেখানোর অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। নীল দলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক জিনাত হুদা বলেন, ‘‘ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত খবর। আমরা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার।’’

এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
Bangladesh Sheikh Hasina

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy