পুজোর পর অফিসে গেলেই ঘুম পাচ্ছে? বসের বকাঝকা আর নয়, মেনে চলুন এই উপায়গুলি
পুজোর ছুটি শেষ হতেই অফিস শুরু। কাজ করতে বসলেই চোখ জুড়ে নামছে ঘুম? এই রকম পরিস্থিতিতে কী ভাবে শরীরকে আগের জায়গায় ফেরাবেন তাই নিয়ে ভাবছেন তো? রইল কিছু সহজ উপায়।
পুজোর ছুটি শেষ হতেই অফিস শুরু। অথচ শরীর সায় দিচ্ছে না। কাজ করতে বসলেই চোখ জুড়ে নামছে ঘুম?
কাজের ক্ষতি তো হচ্ছেই শরীরের বারোটাও বাজছে। এই রকম পরিস্থিতিতে কী ভাবে শরীরকে আগের জায়গায় ফেরাবেন তাই নিয়ে ভাবছেন তো?
এই ক্লান্তি আসা খুব স্বাভাবিক। আর ঠিক করা খুব কঠিন কিছু নয়। রইল কিছু সহজ উপায়।
তবে তার জন্য করতে হবে বেশ কিছু পদক্ষেপ? সেগুলো কী? রইল এই প্রতিবেদনে।
আরও পড়ুন:
এখন আর রাত জাগার কথা ভুলেও ভাববেন না। পর্যাপ্ত পরিমান খুব অন্তত ৮ ঘণ্টার ঘুম খুবই দরকারি।
ঘুমোতে যাওয়ার আগে ফোন দেখবেন না। এতে ঘুম আসতে আরও দেরি হবে। ফোনের 'নীল আলো' চোখের জন্যও ক্ষতিকর। এই ক'টা দিন মাথার কাছে ফোন নিয়ে না ঘুমোলে লাভ আপনারই।
ঘুম থেকে উঠে সকালের হালকা রোদ গায়ে মাখুন। শরীর অনেক চনমনে লাগবে। প্রয়োজন একটু বাইরে বা ছাদে হাঁটুন। তবে ৫ থেকে ১০ মিনিটের বেশি রোদে থাকার প্রয়োজন নেই। দুপুরের কড়া রোদ নয়। সকালের প্রথম দিকের হালকা রোদই ভাল। এতে ভিটামিন ডি বৃদ্ধি পায়।
আরও পড়ুন:
অফিস যাওয়ার তাড়াতে কোনও ভাবেই প্রাতরাশ ভুলবেন না। শরীর আরও খারাপ হবে।
সকালের ব্রেকফাস্টে মিষ্টি জাতীয় খাবার না রাখার চেষ্টা করবেন। কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেড (শর্করা) যেমন ওট্স খেতে পারেন। রাখতে পারেন, ডিম, সব্জি, রুটি, মুগ ডাল বা বেসনের চিলা।
এছাড়াও পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করুন। তবে মাথায় রাখবেন একগাদা জল খাওয়া কিন্তু উল্টে ক্ষতি। ওজন অনুযায়ী জল খেতেই পরামর্শ দেন চিকিৎসক।
অফিসে একটানা কাজ করতে করতে বা একটানা কম্পিউটারের দিকে তাকিয়ে কাজ করলে অনেক সময় ক্লান্তি অনুভব করতে পারেন বা ঘুম আসতে পারে। সেক্ষেত্রে কাজে একটু বিরতি নিন। চেয়ার থেকে উঠে একটু হাঁটাচলা করুন।
সম্ভব হলে ১৫ থেকে ২০ মিনিটের জন্য অল্প বিশ্রাম নিন। এটাকে ‘পাওয়ার ন্যাপ’ বলা হয়। তবে দেখবেন পাওয়ার ন্যাপ নিতে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়বেন না।
ক্লান্তি অনুভব করলেও বার বার কফি খাবেন না। বেশি ক্যাফিন শরীরের জন্য ভাল নয়। বিশেষ করে বিকেল বা সন্ধ্যের দিকে বেশি কফি খেলে রাতে ঘুম আসতে সমস্যা হবে।
সারাদিন শরীর সক্রিয় রাখুন। একটানা বসে কাজ করতে হলেও মাঝে মাঝে একটু উঠে হাঁটাচলা করুন। শরীর হালকা প্রসারিত (স্ট্রেচিং) করুন।
এই বিষয়গুলি মাথায় রাখলেই শরীর আবার আগের জায়গায় ফিরে আসবে। তবে ব্যথা বা অন্য কোনও গুরুতর উপসর্গের ক্ষেত্রে এই ঘরোয়া টোটকা বিশেষ লাভজনক নয়। সে ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়। (এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।)