আবার ছাঁটাই জ়োম্যাটোয়! খাবার পরিবেশনকারী অ্যাপটি হায়দরাবাদে তাদের গ্রাহক সহায়তা বা কাস্টমার সাপোর্টের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ায় সংস্থাটির প্রায় ২৫০ জন কর্মী তাঁদের চাকরি হারিয়েছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গত ছ’মাসে জ়োম্যাটোর গ্রাহক সহায়তা মডেলে পরিবর্তন এসেছে। এর ফলে সে সংক্রান্ত অনেক কাজের একটি বড় অংশ এখন বাইরের অংশীদারদের দিয়ে করানো হচ্ছে। আর সে কারণেই হায়দরাবাদের কাস্টমার সাপোর্টের দফতর বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে খবর।
আরও পড়ুন:
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জোম্যাটো তাদের অভ্যন্তরীণ গ্রাহক সহায়তা কার্যক্রমকে গুরুগ্রামের সদর দফতরে নিয়ে গিয়েছে। গ্রাহক সহায়তা দল এখন থেকে সংস্থার পণ্য, প্রযুক্তি, অ্যানালিটিক্স এবং ব্যবসায়িক দলগুলির আরও কাছাকাছি থেকে কাজ করবে। ফলে হায়দরাবাদের গ্রাহক সহায়তা বা কাস্টমার সাপোর্টের দফতরের প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়েছে। বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে অফিস। চাকরি গিয়েছে প্রায় ২৫০ কর্মীর। জ়োম্যাটোর গ্রাহক সহায়তা কার্যক্রমের মডেল এবং সাংগঠনিক প্রয়োজনীয়তা পর্যালোচনার অংশ হিসেবে সোমবার ছাঁটাই হওয়া কর্মীদের ওই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
আরও পড়ুন:
জানা গিয়েছে, ছাঁটাইয়ের কোপে পড়া কর্মীরা তাঁদের অগস্ট মাসের বেতন এবং অতিরিক্ত চার মাসের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ পাবেন। এই অর্থের মধ্যে চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ‘নোটিস পিরিয়ড’-এর বেতন এবং এককালীন বিশেষ অনুদান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এ ছাড়াও ২০২৭ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত তাঁদের চিকিৎসা বিমা এবং কাউন্সেলিং সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে খবর।
আরও পড়ুন:
গ্রাহককেন্দ্রিক ইন্টারনেট সংস্থাগুলির মধ্যে গ্রাহক সহায়তা কার্যক্রম বাইরের পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা ও অটোমেশনের (স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা) কাছে হস্তান্তরের যে প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, জ়োম্যাটোর পদক্ষেপটি তারই একটি অংশ বলে মনে করছেন অনেকে। এর আগে, জোম্যাটো ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে প্রায় ৫০০ জন কনিষ্ঠ বা ‘জুনিয়র’-স্তরের কর্মীকে ছাঁটাই করেছিল।