ফের পণ্য ও পরিষেবা কর (গুড্স অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্যাক্স বা জিএসটি) সংগ্রহে রেকর্ড! চলতি বছরের জুলাইতে এই বাবদ দু’লক্ষ কোটি টাকা ঢুকেছে সরকারি কোষাগারে। গত বছরের (২০২৫ সাল) জুলাইতে এটা ছিল ১.৮৩ লক্ষ কোটি টাকা। অর্থাৎ, ১৫.৪ শতাংশ বেড়েছে জিএসটি আদায়ের পরিমাণ, গত ১৪ মাসের নিরিখে যা দ্রুততম বৃদ্ধি।
গত ১ অগস্ট, শনিবার জিএসটি আদায়ের তথ্য প্রকাশ করে কেন্দ্র। সেখানে বলা হয়েছে, এ বছরের জুলাইতে পণ্য ও পরিষেবা কর বাবদ আদায় হয়েছে ২.১১ লক্ষ কোটি টাকা। এর মধ্যে ঘরোয়া লেনদেন থেকে ১.৪৪ লক্ষ কোটি টাকা জিএসটি এসেছে সরকারি কোষাগারে। অন্য দিকে, আমদানি খাতে কর আদায়ের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ২৯ শতাংশ।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, চলতি অর্থবর্ষে (২০২৬-’২৭) এই নিয়ে দ্বিতীয় বার দু’লক্ষ কোটির গণ্ডি ছাড়াল জিএসটির অঙ্ক। গত এপ্রিলে জিএসটি আদায়ের পরিমাণ ছিল ২.৪৩ লক্ষ কোটি টাকা, যেটা এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ কর আদায়ের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে ১০.৪ শতাংশ। আমদানি পণ্যের উপর থেকে জিএসটি আদায় হয়েছে ৬৬,৫১১ কোটি টাকা। যদিও বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমদানি হ্রাসের উপর জোর দিচ্ছে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকার।
নিয়ম অনুযায়ী, সংগৃহীত জিএসটির কিছু অর্থ রাজ্যগুলিকে ফেরত দিতে হয়। জুলাইতে সেই অর্থের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৯,৯৬৮ কোটি টাকা। সেটা বাদ দিলে গত মাসে নিট পণ্য ও পরিষেবা কর বাবদ ১.৮১ কোটি টাকা পেয়েছে কেন্দ্র। জুলাইতে রিফান্ড বৃদ্ধি পেয়েছে ১৩.১ শতাংশ। এ ছাড়া ৩০ শতাংশের বেশি বেড়েছে মোট কাস্টমস জিএসটি।
আরও পড়ুন:
তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, এ বছরের জুনের তুলনায় জুলাইতে উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে পণ্য ও পরিষেবা কর আদায়। এক মাসের ব্যবধানে প্রায় ১৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে জিএসটির পরিমাণ, টাকার অঙ্কে যেটা ১.৯৫ লক্ষ কোটি।
সামগ্রিক ভাবে, চলতি আর্থিক বছরের (২০২৬-’২৭) প্রথম চার মাসে মোট পণ্য ও পরিষেবা কর আদায়ের ১০.১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৮.৪৩ লক্ষ কোটি টাকায় গিয়ে পৌঁছেছে। ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে জুলাইয়ের মধ্যে তা ছিল ৭.৬৬ লক্ষ কোটি টাকা। এই সময়সীমার মধ্যে নিট আদায়ের পরিমাণ ৯.২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে ৭.২১ লক্ষ কোটি টাকা হয়েছে।