Advertisement
E-Paper

নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের ‘আগুনে দামে’ সংসার চালাতে হিমসিম! কোন ফর্মুলায় খরচ বাঁচিয়ে করা যাবে সঞ্চয়?

মুদ্রাস্ফীতির কাঁটায় ভারতের আমজনতার হাঁসফাঁস দশা! লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম। এই পরিস্থিতিতে ৫০-৩০-২০ ফর্মুলা মেনে সংসার চালানোর পরামর্শ দিচ্ছেন আর্থিক বিশ্লেষকদের একাংশ।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৯ অক্টোবর ২০২৬ ১১:৫২
Representative Picture

—প্রতীকী চিত্র।

চোখ রাঙাচ্ছে মুদ্রাস্ফীতি। যার জেরে বাজারে আগুন! নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে দামের ছ্যাঁকা খাচ্ছে আমজনতা। গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতো রেপো রেট বৃদ্ধি করেছে ভারতীয় রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্ক (আরবিআই)। ফলে, ঊর্ধ্বমুখী গাড়ি-বাড়ির ঋণের কিস্তি। এই পরিস্থিতিতে সংসার চালাতে গিয়ে নাভিশ্বাস উঠছে অনেকের। আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কী ভাবে কমাবেন খরচ? আনন্দবাজার ডট কম-এর এই প্রতিবেদনে রইল তার হদিস।

আর্থিক বিশ্লেষকদের দাবি, সাংসারিক ব্যয় নিয়ন্ত্রণের একটি বিশেষ পদ্ধতি রয়েছে। ৫০-৩০-২০ হল সেই ফর্মুলা। এটা মেনে চললে অনেক সহজ হয়ে উঠবে আয়ের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে জীবন ধারণ। পাশাপাশি, যাবতীয় খরচ-খরচার পর কিছু অর্থ সঞ্চয়ও করতে পারবেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি। অর্থাৎ দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক নিরাপত্তার উপায়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে সংশ্লিষ্ট ফর্মুলায়।

৫০-৩০-২০ নিয়মে প্রথমেই হাতে পাওয়া বেতনকে তিন ভাগ করার পরামর্শ দিয়েছেন আর্থিক বিশ্লেষকেরা। প্রথম অংশে থাকবে ৫০ শতাংশ, অর্থাৎ মাস মাইনের অর্ধেক টাকা। দৈনন্দিন বাজার খরচ থেকে শুরু করে ছেলে-মেয়ের স্কুলের ফি বা ঋণের কিস্তির মতো অত্যাবশ্যকীয় বিষয়গুলি এর মাধ্যমে মেটানোর কথা বলা হয়েছে। ৩০ শতাংশ নিয়ে গড়ে উঠেছে দ্বিতীয় অংশ। যেটা শখ-আহ্লাদ পূরণে ব্যবহার করতে পারেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি।

পাশাপাশি, এই ফর্মুলায় ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে বেতনের ২০ শতাংশ বিভিন্ন খাতে লগ্নির পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আর্থিক বিশ্লেষকদের কথায়, তিন ভাগের মধ্যে প্রথম ও তৃতীয় অংশটিকে অনমনীয় রাখাই ভাল। দ্বিতীয় ভাগটিতে প্রয়োজন মোতাবেক কাটছাঁট করতে পারেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি। কোন অংশে খরচের কী কী অন্তর্ভুক্ত, এই ফর্মুলায় তারও স্পষ্ট বিবরণ রয়েছে।

উদাহরণ হিসাবে, মাসের মুদি দোকানের খরচ, তরি-তরকারি, মাছ-মাংসের বাজার এবং পরিবহণ ব্যয়ের কথা বলা যেতে পারে। যেটা বেতনের প্রথম ভাগ দিয়ে করতে বলা হয়েছে। দ্বিতীয় অংশটি বিনোদন, পর্যটন, রেস্তরাঁয় খাওয়া-দাওয়া এবং বিভিন্ন ধরনের সাবস্ক্রিপশনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। আর সঞ্চয়ের জন্য ব্যাঙ্ক, ডাকঘর, শেয়ার, মিউচুয়াল ফান্ড, পেনশন তহবিল বা ক্রিপ্টো মুদ্রাকে বেছে নিতে পারেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি।

উল্লেখ্য, ভারতের সব শহরে জীবনযাত্রার মান একরকম নয়। ফলে টায়ার-১ সিটিতে অত্যাবশ্যকীয় খরচ বেতনের ৫০ শতাংশের বেশি হতে পারে। সে ক্ষেত্রে শখ-আহ্লাদের ব্যয় কমিয়ে এতে সামঞ্জস্য আনার পরামর্শ দিচ্ছেন আর্থিক বিশ্লেষকদের। তাঁদের কথায়, কখনই পুরোপুরি ভাবে সঞ্চয় থেকে সরে আসা উচিত নয়। আর তাই লুকনো খরচ খুঁজে বের করে তা বাদ দেওয়ার রাস্তায় হাঁটতে বলেছেন তাঁরা।

savings Investment budget trip

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy