Advertisement
E-Paper

মেলে না অতিরিক্ত পারিশ্রমিক, সপ্তাহে অন্তত ১৬ ঘণ্টা ‘বিনা বেতনে’ কাজ করেন বহু ভারতীয় কর্মী!

মার্কিন বহুজাতিক ক্লাউড-ভিত্তিক মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা সংস্থা এডিপি-র সমীক্ষায় উঠে এসেছে ভারতীয় কর্মীদের ‘বঞ্চনা’র কথা। সমীক্ষা বলছে, মোটামুটি প্রতি চার জন ভারতীয় কর্মীর মধ্যে এক জন প্রতি সপ্তাহে অন্তত ১৬ ঘণ্টা পারিশ্রমিক ছাড়া অতিরিক্ত সময় কাজ করেন। এই হার বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেকটাই বেশি।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৪:৪০

ছবি: এআই দিয়ে তৈরি।

‘বিনা বেতনে’ কাজ করতে ভালবাসেন ভারতীয় কর্মীরা! তাও আবার দুই-এক ঘণ্টা নয়, সপ্তাহে অন্তত ১৬ ঘণ্টা। ভারতে এমন কর্মীর হার সর্বোচ্চ। অবৈতনিক কাজের ক্ষেত্রে ভারত বিশ্বের শীর্ষে। এর অর্থ হল, এ দেশের কর্মক্ষেত্রের ২৪ শতাংশ কর্মী প্রতি সপ্তাহে ১৬ ঘণ্টারও বেশি অতিরিক্ত কাজ করেন। এবং অতিরিক্ত টাকা না নিয়ে। মার্কিন বহুজাতিক ক্লাউড-ভিত্তিক মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা সংস্থা এডিপি-র ২০২৬ সালের একটি সমীক্ষা অন্তত তাই বলছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, অবৈতনিক অতিরিক্ত কাজে দিক থেকে বিশ্বের শীর্ষস্থানে রয়েছে ভারত। ভারতের ২৪ শতাংশ চাকরিজীবী টাকা না নিয়ে প্রতি সপ্তাহে ১৬ ঘণ্টার বেশি কাজ করেন। আরও ৪০ শতাংশ শ্রমিক সপ্তাহে ৬ থেকে ১৫ ঘণ্টা পর্যন্ত এমন কাজ করেন। অর্থাৎ, দেশের কর্মশক্তির একটি বড় অংশ কাজের উল্লেখযোগ্য সময় ব্যয় করলেও সেই সময়ের জন্য কোনও পারিশ্রমিক পান না। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে যে, মোটামুটি প্রতি চার জন ভারতীয় কর্মীর মধ্যে এক জন প্রতি সপ্তাহে অন্তত ১৬ ঘণ্টা পারিশ্রমিক না পেয়েও কাজে সময় ব্যয় করেন। এই হার বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেকটাই বেশি।

সমীক্ষায় দাবি, বিশ্বের অন্য দেশের চিত্র ভারতের তুলনায় বেশ আলাদা। বিশ্ব জুড়ে ৬২ শতাংশ কর্মী সপ্তাহে সর্বোচ্চ ৫ ঘণ্টা অবৈতনিক কাজ করেন। ২৬ শতাংশ কর্মী সপ্তাহে ৬ থেকে ১৫ ঘণ্টা এবং মাত্র ১২ শতাংশ কর্মী সপ্তাহে ১৬ ঘণ্টা বা তার বেশি অবৈতনিক কাজ করেন। অর্থাৎ, ভারতের তুলনায় বিশ্ব জুড়ে দীর্ঘ সময় পারিশ্রমিক ছাড়া কাজ করার প্রবণতা অনেকটাই কম।

এই সমীক্ষার রিপোর্টে আরও উঠে এসেছে, যাঁরা দীর্ঘ সময় বিনা অতিরিক্ত বেতনে কাজ করেন, তাঁদের অনেকেই মনে করেন যে তাঁরা নিজেদের পুরো ক্ষমতা অনুযায়ী কাজ করতে পারছেন না। সপ্তাহে ১৬ ঘণ্টা বা তাঁর বেশি অবৈতনিক কাজ করা কর্মীরা কাজের প্রতি বেশি আগ্রহ ও দায়বদ্ধতার কথা বলেছেন। তবে একই সঙ্গে তাঁরা কম উৎপাদনশীলতা, মানসিক সুস্থতা এবং চাকরি বদলানোর ইচ্ছার কথাও জানিয়েছেন। অর্থাৎ, বেশি সময় বিনা অতিরিক্ত বেতনে কাজ করলেও কর্মীদের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এর প্রভাবও স্পষ্ট ভাবে উঠে এসেছে সমীক্ষায়।

Job

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy