শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া ফের শুরু করল স্কুল সার্ভিস কমিশন। নবম-দশম স্তরে বাকি থাকা তিনটি বিষয়ের নথি যাচাই শুরু করছে স্কুল সার্ভিস কমিশন। বৃহস্পতিবার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে কমিশন জানিয়েছে, আগামী ৩০ জুলাই থেকে কমিশনের ৫টি আঞ্চলিক অফিসে নথি যাচাই চলবে। প্রায় ২০ হাজার শিক্ষকপদ প্রার্থীকে এ জন্য ডাকা হয়েছে।
এসএসসি সূত্রে জানা গিয়েছে, বিধানসভা নির্বাচনের আগেই মোট ৮টি বিষয়ের জন্য নথি যাচাই হয়ে গিয়েছে। বাকি ইংরেজি, ভৌতবিজ্ঞান এবং জীবনবিজ্ঞান। এ বার সেই বিষয়গুলিতে নথি যাচাই হবে।
২০১৬ সালের প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির দায়ে ২০২৫ সালে পুরো প্যানেল বাতিল করে সুপ্রিম কোর্ট। ফের সেপ্টেম্বরে নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশ স্তরে শিক্ষক নিয়োগের জন্য পরীক্ষা হয়। ফলপ্রকাশের পরে ৮টি বিষয়ের নথি যাচাই হলেও যে তিনটি বিষয়ের বাকি পড়ে গিয়েছিল সেই কাজ এ বার শুরু হল।
শিক্ষামহলের প্রশ্ন ৩১ অগস্টের মধ্যে শূন্যপদে নিয়োগের নির্দেশ রয়েছে। কিন্তু এই প্রক্রিয়া কি আদৌ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করা যাবে? এক চাকরি প্রার্থী জানান, সবে নথি যাচাইয়ের কাজ শুরু হচ্ছে। এই প্রক্রিয়া শেষ হতেই সময় লাগবে প্রায় এক মাস। তার পর ইন্টারভিউ প্যানেল প্রকাশিত হবে। চূড়ান্ত কাউন্সেলিং হতে সময় লাগবে আরও।
কমিশন থেকে সুপারিশপত্র পাওয়ার পরে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তরফে শুরু হবে পুলিশি যাচাইকরণ এবং স্বাস্থ্যপরীক্ষা। তার পর নিয়োগপত্র পাওয়া যাবে। প্রথম পর্যায়ে নথি যাচাই হচ্ছে প্রায় ৪০ হাজার চাকরি প্রার্থীর। শূন্যপদ রয়েছে ২৩,২০৯ টি। ফলে এই প্রক্রিয়া শেষ হতে যে সময় অনেকটাই পেরিয়ে যাবে সেটা স্পষ্ট।