প্রায় ৫ মাস পরে কর্মসমিতির বৈঠক হল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। নির্ধারিত বিষয়ের বাইরে উঠে এল বিশ্ববিদ্যালয়ের চলতি অস্থিরতার প্রসঙ্গও। জানা গিয়েছে, বৈঠকে কর্তৃপক্ষ বারবার অনুরোধ করেছেন ছাত্র-শিক্ষকেরা কেউ যেন প্ররোচনার শিকার না হন।
এর আগে শেষ বারের মতো কর্মসমিতির বৈঠক হয়েছিল গত ৪ এপ্রিল। তার পর থেকে নানা টালবাহানায় এই বৈঠক স্থগিত করা হচ্ছিল। এমনকি গত মাসের প্রথম সপ্তাহে বৈঠক ডেকেও তা স্থগিত করা হয়। বহু বার শিক্ষক সংগঠন জুটা আবেদন করলেও কর্তৃপক্ষ সেই বৈঠক ডাকেনি। অবশেষে, ৪ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হল সেই বৈঠক।
শুক্রবারের বৈঠকে অনিবার্য ভাবেই উঠে এসেছে গত ১৯ অগস্ট রাতে ক্যাম্পাসে হামলার ঘটনা। সে রাতে বহিরাগতরা ক্যাম্পাসে ঢুকে তাণ্ডব চালায় বলে অভিযোগ। তার পর থেকেই বার বার চর্চায় এসেছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। বিক্ষোভের জেরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতীক-ফলক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। বার বার উত্তপ্ত হয়েছে পরিস্থিতি। এই অবস্থায় পঠনপাঠন স্বাভাবিক রাখার আর্জিও করা হয়েছে ওই কর্মসমিতির বৈঠকে।
সূত্রের খবর, শুক্রবারের বৈঠকে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন পড়ুয়াদের পঠনপাঠনে গুরুত্ব দিতে হবে। যাবতীয় বিতর্ক ক্যাম্পাস থেকে দূরে রাখতে বলা হয়েছে। কর্মসমিতিতে সর্বসম্মতিক্রমে বলা হয়েছে, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরের পরিবেশ ও পঠনপাঠন খারাপ হলে সেই প্রভাব পড়বে গোটা রাজ্যে। তাই ছাত্রছাত্রী এবং রাজ্যের স্বার্থে এই বিতর্ক এবং অস্থিরতা কাটিয়ে উঠতে হবে। উল্লেখ্য, নতুন সরকারের আমলে এটিই ছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম কর্মসমিতির বৈঠক।