Advertisement
E-Paper

জেলার শিক্ষকদের ‘অন-ডিউটি’, কলকাতা কেন বঞ্চিত? জনগণনা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অধিকর্তাকে চিঠি

শিক্ষকদের জনগণনার কাজের জন্য স্কুলে যেতে হবে কি না, না গেলে তাঁদের ছুটি কাটা যাবে, না কি ‘অন ডিউটি’ দেওয়া হবে— তা নিয়ে বিতর্ক চলছেই। তার মধ্যে স্কুলশিক্ষা দফতর থেকে জানানো হয়, স্কুলে ক্লাস করানোর পরে অথবা সপ্তাহের শেষে অর্থাৎ ছুটির দিনে জনগণনার কাজ করতে পারবেন শিক্ষকেরা।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১২ অগস্ট ২০২৬ ১৮:০০

ছবিঃ এ আই সহায়তায় প্রণীত।

জনগণনার কাজে যুক্তদের ‘অন ডিউটি’ দিতে হবে, এ দাবি করছেন শিক্ষকদের একাংশ। কোনও কোনও পুরসভার তরফে সে দাবি মেনে নেওয়া হলেও কলকাতা সেই পথে হাঁটেনি বলে অভিযোগ। তাই এ বারে রাজ্যের জনগণনার অধিকর্তার কাছে বৈষম্য দূর করার দাবি জানিয়ে ই-মেল করলেন শিক্ষকদের একাংশ।

শিক্ষকদের জনগণনার কাজের জন্য স্কুলে যেতে হবে কি না, না গেলে তাঁদের ছুটি কাটা যাবে, না কি ‘অন ডিউটি’ দেওয়া হবে— তা নিয়ে বিতর্ক চলছেই। তার মধ্যে স্কুলশিক্ষা দফতর থেকে জানানো হয়, স্কুলে ক্লাস করানোর পরে অথবা সপ্তাহের শেষে অর্থাৎ ছুটির দিনে জনগণনার কাজ করতে পারবেন শিক্ষকেরা। এর পরই ক্ষোভ প্রকাশ করেন শিক্ষকদের একাংশ। তাঁদের দাবি, জনগণনার কাজ ‘অন ডিউটি’ হিসেবে গণ্য করাই নিয়ম। কিন্তু তা না করে স্কুল ছুটির পরে বাড়ি বাড়ি ঘুরে জনগণনার কাজ করা কোনও ভাবেই সম্ভব নয়।

যদিও বিজেপি শিক্ষক সেলের দাবি ছিল, ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থে সব শিক্ষকের দফতরের এই পদক্ষেপ সমর্থন করা প্রয়োজন। এই বিজ্ঞপ্তির বিরোধিতা আগেই করেছিলেন শিক্ষকেরা। এক ধাপ এগিয়ে স্কুলশিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মনের কাছে দ্রুত এই বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করার দাবিও জানিয়েছিলেন শিক্ষকদের একাংশ। তাঁদের যুক্তি, এই বিজ্ঞপ্তি ‘জনগণনা আইন ১৯৪৮’ লঙ্ঘন করছে।

সেনসাস কর্মী ঐক্যমঞ্চের সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বলেন, ‘‘শিলিগুড়ি, কল্যাণী-সহ নানা পুরসভায় জনগণনার কাজ করার জন্য শিক্ষকদের অন ডিউটি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কলকাতা পুরসভা এ রকম কোনও নির্দেশ দেয়নি। একই কাজে ভিন্ন জেলায় ভিন্ন ফল কেন?’’ তাঁর দাবি, ১৯৪৮ সালের যে জনগণনা আইন রয়েছে, সেখানে এই ধরনের কাজে কর্মরত কোনও ব্যক্তিকে যুক্ত করলে তাঁকে ‘অন ডিউটি’ দেওয়ার কথা। কিন্তু স্কুলশিক্ষা দফতর জানিয়েছিল, পঠনপাঠনের কোনও কাজ যেন ব্যাহত না হয়, সে কারণে ক্লাস ছুটির পরে, ছুটির দিনে জনগণনার কাজ করা যেতে পারে। এটা যেমন অমানবিক, তেমনই বেআইনি। কিছু পুরসভা থেকে আইন মেনে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে, কিন্তু কলকাতা পুরসভা কেন কোনও পদক্ষেপ করল না, তা জানতে চেয়েই ই-মেল করা হয়েছে।

WB Teachers

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy