Advertisement
E-Paper

স্কুলে তামাক ও মাদক ব্যবহারে রাশ টানতে উদ্যোগ, ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের জন্য বিশেষ ক্লাস

নির্দেশ অনুযায়ী, প্রতিটি স্কুলে প্রধান শিক্ষক বা স্কুলের প্রধানের নেতৃত্বে একটি প্রতিষ্ঠানস্তরের টাস্ক ফোর্স (আইটিএফ) অথবা অ্যান্টি-টোবাকো কমিটি গঠন করতে হবে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৪ নভেম্বর ২০২৬ ১৩:৫১
প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

স্কুল ক্যাম্পাসে তামাক ও মাদকের ব্যবহার রুখতে উদ্যোগী হল দিল্লির শিক্ষা দফতর। ‘নেশা মুক্ত ভারত অভিযান’ এবং ‘নেশা মুক্ত দিল্লি’ প্রচারের অধীনে পড়ুয়াদের সচেনতন করার নির্দেশ দিয়েছে ব্যুরো অফ এডুকেশনাল অ্যান্ড ভোকেশনাল গাইডেন্স অ্যান্ড কাউন্সেলিং।

জানানো হয়েছে স্কুলস্তরে সচেতনতা বাড়ানো, মাদক ব্যবহারের ঝুঁকি সম্পর্কে পড়ুয়াদের জানানো এবং প্রয়োজন হলে কাউন্সেলিং ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করাই এই উদ্যোগের লক্ষ্য।

প্রতিটি স্কুলে গড়তে হবে বিশেষ কমিটি

নির্দেশ অনুযায়ী, প্রতিটি স্কুলে প্রধান শিক্ষক বা স্কুলের প্রধানের নেতৃত্বে একটি প্রতিষ্ঠানস্তরের টাস্ক ফোর্স (আইটিএফ) অথবা অ্যান্টি-টোবাকো কমিটি গঠন করতে হবে। কমিটিতে থাকবেন নোডাল শিক্ষক, স্বাস্থ্য ও সুস্থতা বিষয়ক প্রতিনিধি, স্কুল পরিচালন সমিতির একজন সদস্য, পড়ুয়াদের একজন প্রতিনিধি এবং স্থানীয় পুলিশের একজন প্রতিনিধি।

ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির জন্য প্রতি মাসে সচেতনতা ক্লাস

স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর (এসওপি) অনুযায়ী, ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের জন্য প্রতি মাসে জীবনদক্ষতা শিক্ষা ও সচেতনতা ক্লাসের আয়োজন করতে হবে। ‘নবচেতনা লাইফ স্কিলস মডিউল’-এর অধীনে এই ক্লাসগুলি হবে প্রতি মাসের ১৫ থেকে ১৭ তারিখের মধ্যে। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকেরা এই ক্লাস নেবেন।

এই কর্মসূচিতে মাদক ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক, প্রাথমিক লক্ষণ চেনার উপায় এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও সহায়তা পরিষেবা সম্পর্কে আলোচনা হবে।

মাদক ব্যবহারের সন্দেহ হলে কী ব্যবস্থা?

কোনও পড়ুয়া তামাক বা অন্য কোনও মাদক ব্যবহার করছে বলে সন্দেহ হলে, কিংবা বিষয়টি নিশ্চিত হলে, তার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা করতে হবে স্কুলকে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট পড়ুয়াকে স্বাস্থ্যকর্মী, মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অথবা নেশামুক্তি কেন্দ্রে পাঠানোর জন্য একটি নির্দিষ্ট ব্যবস্থা বা রেফারেল সিস্টেম গড়ে তুলতে হবে।

তবে এই পুরো প্রক্রিয়ায় পড়ুয়ার ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা বজায় রাখতে হবে। কোনও পড়ুয়াকে যেন মাদক ব্যবহারের অভিযোগে হেনস্থা, সামাজিক ভাবে বিচ্ছিন্ন বা বৈষম্যের শিকার হতে না হয়, সে বিষয়েও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে স্কুলগুলিকে।

প্রতি মাসে জমা দিতে হবে রিপোর্ট

স্কুলগুলিকে কমিটির বৈঠক, সচেতনতা কর্মসূচি, জীবনদক্ষতা ক্লাস, পড়ুয়াদের যোগদান সংক্রান্ত নথি সংরক্ষণ করতে হবে।

এ ছাড়াও, প্রতি মাসে সংশ্লিষ্ট জেলা কর্তৃপক্ষের কাছে এসওপি বাস্তবায়নের তালিকা জমা দিতে হবে। জেলা স্তরে ডেপুটি ডিরেক্টর অফ এডুকেশনের নেতৃত্বে গঠিত মনিটরিং কমিটিগুলি এই কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করবে। তারা স্কুলে আকস্মিক পরিদর্শন, নিয়ম মেনে কাজ হচ্ছে কি না তার রিপোর্ট খতিয়ে দেখা এবং ‘নেশা মুক্ত বিদ্যালয়’ পোর্টালে নিয়মিত তথ্য আপডেট করার বিষয়টি নিশ্চিত করবে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।

Delhi Schools stop drug

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy