Advertisement
E-Paper

এসএসসি-র একাদশ-দ্বাদশের সংশোধিত তালিকা প্রকাশ, প্রায় ৩ হাজার নতুন প্রার্থীর ইন্টারভিউ ও নথি যাচাইয়ের দিনক্ষণ ঘোষণা

ইন্টারভিউয়ের দিন প্রয়োজনীয় আসল নথি এবং শংসাপত্র সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে। নথি দেখাতে না পারলে ইন্টারভিউতে বসতে দেওয়া নাও হতে পারে। এমনকি সম্পূর্ণ ভাবে বাতিল হয়ে যেতে পারে প্রার্থীর নাম।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০১ অক্টোবর ২০২৬ ২১:১৪

ছবি: এআই সহায়তায় তৈরি।

একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের জন্য ইন্টারভিউ এবং নথিপত্র যাচাইয়ের সময়সূচি প্রকাশ করল পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশন। সংশোধিত প্রিলিমিনারি ইন্টারভিউ তালিকায় যে প্রার্থীদের নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে, তাঁদের নথিপত্র যাচাই এবং মৌখিক সাক্ষাৎকার ও লেকচার ডেমোনস্ট্রেশনের প্রক্রিয়া ৮ অক্টোবর থেকে শুরু হবে। এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে এসএসসি।

২৮ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত সংশোধিত প্রিলিমিনারি ইন্টারভিউ তালিকায় নতুন করে জায়গা পাওয়া প্রার্থীরা ১ অক্টোবর থেকেই কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে ইন্টিমেশন লেটার ডাউনলোড করতে পারছেন। ইন্টারভিউয়ের দিন প্রয়োজনীয় আসল নথি এবং শংসাপত্র সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে। নথি দেখাতে না পারলে ইন্টারভিউতে বসতে দেওয়া নাও হতে পারে। এমনকি সম্পূর্ণ ভাবে বাতিল হয়ে যেতে পারে প্রার্থীর নাম।

পাশাপাশি নির্ধারিত দিনে কোনও প্রার্থী ইন্টারভিউ বা নথিপত্র যাচাইয়ে উপস্থিত না থাকলেও নাম বাতিল হয়ে যাবে। সে ক্ষেত্রে নিয়োগপ্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপেও তিনি যোগ দিতে পারবেন না বলেই জানিয়েছে এসএসসি।

কমিশনের প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী, বাংলা বিষয়ের ইন্টারভিউ হবে ৮ অক্টোবর। অর্থনীতির জন্য ৮ ও ৯ অক্টোবর, ইতিহাসের জন্য ৯ অক্টোবর, সংস্কৃতের জন্য ৯, ১২ ও ১৩ অক্টোবর, ইংরেজির জন্য ১২ অক্টোবর এবং গণিতের জন্য ১৩ অক্টোবর ইন্টারভিউ নেওয়া হবে। কমিশন জানিয়েছে, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী নথিপত্র যাচাই, মৌখিক সাক্ষাৎকার এবং লেকচার ডেমোনস্ট্রেশনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির অভিযোগে ২০২৫-এর এপ্রিলে এসএসসি ২০১৬-র গোটা প্যানেলই বাতিল করে সুপ্রিম কোর্ট। চাকরি যায় প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর। প্রাথমিক ভাবে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ এবং পরে ৩১ অগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত যোগ্য শিক্ষকদের সবেতন কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। স্কুল সার্ভিস কমিশন ২০২৫-এর সেপ্টেম্বরে শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষার আয়োজন করে। সে বছরই ফলপ্রকাশ হয়। কিন্তু নিয়োগপ্রক্রিয়ায় গতি আসেনি। রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগেই নবম-দশমের জন্য শিক্ষক পদপ্রার্থীদের শুধুমাত্র নথি যাচাইয়ের কাজ হয়েছে। অধিকাংশ বিষয়ের ইন্টারভিউও হয়নি। একাদশ-দ্বাদশের সেই প্রক্রিয়া বেশ খানিকটা এগিয়ে যায়। ওই স্তরের ৩৩টি বিষয়ের মধ্যে ২১টি বিষয়ের কাউন্সেলিং শেষ হয়ে। প্রার্থীরা সুপারিশপত্রও পেয়ে যান। আর তার মধ্যেই ফের নতুন করে চলে আসে সংরক্ষণ প্রসঙ্গ। গত অগস্টে ১২টি বিষয়ের কাউন্সেলিং শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সংরক্ষণের নতুন আইন বলবৎ হওয়ায় তা স্থগিত হয়ে যায়। ফলে ৩১ অগস্টের মধ্যে নিয়োগপ্রক্রিয়া শেষ করতে পারেনি সরকার। তার পরে ফের শীর্ষ আদালতে আবেদন করা হলে শেষ বারের মতো শীর্ষ আদালত ২০২৭ সালের ৩১ মে পর্যন্ত নিয়োগপ্রক্রিয়ার সময় বৃদ্ধি করেছে। তার পরে সোমবার নতুন এক তালিকা প্রকাশ করে কমিশন।

কমিশনের তরফ থেকে বলা হয়েছে, প্রায় তিন হাজারের মত নতুন প্রার্থীর নাম যুক্ত করা হয়েছে। তবে মোট শূন্যপদের কোনও পরিবর্তন হয়নি। অর্থাৎ ১২৪৪৫টি শূন্যপদই রয়েছে। কিন্তু ওবিসি সংরক্ষণ ১৭ থেকে ৭ শতাংশে আসায় ক্যাটেগরিভিত্তিক শূন্যপদের সংখ্যায় পার্থক্য হয়েছে।

Teacher Job

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy