Advertisement
E-Paper

যত্রতত্র গজিয়ে ওঠা বেসরকারি কোচিং সেন্টারে রাশ টানতে চায় রাজ্য! নয়া বিধি প্রণয়নের ভাবনা শিক্ষা দফতরের

কয়েকমাস আগেই এ বিষয়ে উদ্যোগী হয়েছিল সরকার। বার বার অভিযোগ উঠেছে, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে যে নিট, নেট বা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কোচিং সেন্টার রয়েছে সেখানে লাগামছাড়া ফি নেওয়া হয়। পাশাপাশি তদন্ত করে দেখা হবে, ওই সব প্রশিক্ষণকেন্দ্র আদৌ সরকারের অনুমতি নিয়ে চলছে কি না।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৭:০৫

গ্রাফিকঃ আনন্দবাজার ডট কম।

বেসরকারি কোচিং সেন্টারগুলিতে রাশ টানতে চাইছে রাজ্য! বিকাশ ভবন সূত্রের খবর, এই বিষয়ে ভাবনা-চিন্তা শুরু হয়েছে। লাগাম ছাড়া ফি থেকে পড়ুয়াদের সুরক্ষা, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার নিরাপত্তা— সব নিয়েই সরকার আলোচনা শুরু করেছে। তবে এখনও চূড়ান্ত খসড়া প্রস্তুত হয়নি বলে জানা গিয়েছে।

সূত্রের খবর, কয়েকমাস আগেই এ বিষয়ে উদ্যোগী হয়েছিল সরকার। বার বার অভিযোগ উঠেছে, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে যে নিট, নেট বা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কোচিং সেন্টার রয়েছে সেখানে লাগামছাড়া ফি নেওয়া হয়। পাশাপাশি তদন্ত করে দেখা হবে, ওই সব প্রশিক্ষণকেন্দ্র আদৌ সরকারের অনুমতি নিয়ে চলছে কি না।

সরকারি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য প্রশিক্ষণকেন্দ্রগুলির উপর ভরসা করেন পড়ুয়ারা। সারা দেশেই এ ধরনের প্রশিক্ষণকেন্দ্রের বিরুদ্ধে নানা ধরনের অভিযোগ ওঠে। সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের একটি কোচিং সেন্টারে আগুন লেগে ১৫ জনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনার পর প্রশ্ন উঠেছে প্রশিক্ষণকেন্দ্রগুলিতে পড়ুয়াদের নিরাপত্তা নিয়ে। নিট ইউজি ২০২৬ প্রশ্নফাঁসের ঘটনায়ও নাম জড়ায় বেশ কিছু প্রশিক্ষণকেন্দ্রের। ফলে নড়ে বসছে প্রশাসন।

এ রাজ্যেও ছোট-বড় নানা ধরনের বেসরকারি প্রশিক্ষণকেন্দ্রে যথাযথ অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, সিসি ক্যামেরার নজরদারি, পর্যাপ্ত শৌচালয় রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। তাই ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে, প্রাথমিক ভাবে দশটিরও বেশি ধারা যুক্ত করে নীতির খসড়া তৈরি হচ্ছে। সেই সব নিয়ম মেনেই ওই কোচিংসেন্টারগুলিকে চলছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে।

বিকাশভবনের এক কর্তা জানান, ঠিক কী কী ধারা যুক্ত করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে খুব দ্রুত খসড়া প্রস্তুত হতে পারে বলে জানান তিনি।

যদিও প্রশিক্ষণকেন্দ্রগুলির উপর আদৌ রাশ পরানো যাবে কি না, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন অনেকেই। বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডলের অভিযোগ, যাঁরা কোচিং সেন্টারগুলি চালান অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায় তাঁরা শাসকঘনিষ্ট কোনও সংগঠন বা নেতার ছত্রছায়ায় থাকেন। তিনি বলেন, “সরকার স্কুলে কর্মরত শিক্ষকদের গৃহশিক্ষকতা বন্ধ করতে পারছে না, কী ভাবে কোচিং সেন্টার নিয়ন্ত্রণ করবে সেটাই ভাবনার। তবে করতে পারলে ভাল।’’

Bikash Bhavan

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy