মুম্বইয়ের মিঠী নদীর পলি অপসারণ প্রকল্পে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে গ্রেফতার করা হল বলিউড অভিনেতা ডিনো মোরিয়াকে। এখনও পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী, ২ অক্টোবর মুম্বই পুলিশের অর্থনৈতিক অপরাধ শাখা (ইকোনমিক অফেন্সেস উইং) এই মামলার তদন্তের জন্য অভিনেতাকে হেফাজতে নিয়েছে।
খবর, গ্রেফতারের আগে মুম্বইয়ের বান্দ্রার বাড়িতে প্রায় আট ঘণ্টা ধরে ডিনোকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারীরা। মুম্বইয়ের মিঠী নদীর পলি অপসারণ এবং পুনরুজ্জীবন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগের তদন্ত করছে ‘ইকোনমিক অফেন্সেস উইং’ (ইওডব্লিউ)। প্রকল্পে আর্থিক অসঙ্গতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে গিয়ে তদন্তকারীদের দাবি, এর ফলে বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের প্রায় ৬৫.৫৪ কোটি টাকা ক্ষতি হয়ে থাকতে পারে।
এই মামলায় বেশ কিছু দিন ধরেই ডিনোর নাম উঠে আসছে। গত বছরের জুনেও অভিনেতার বাড়িতে প্রায় ১৪ ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চালিয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। শুধু মুম্বইয়ের বাড়ি নয়, একই সময়ে মুম্বই ও কোচির আরও ১৪টি জায়গাতেও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। ডিনোর ভাইয়ের বাড়ি ছাড়াও ঠিকাদার ও মধ্যস্থতাকারীদের বিভিন্ন জায়গাতেও তল্লাশি চালায় ইডি।
মিঠী নদীর পলি অপসারণ সংক্রান্ত বিভিন্ন চুক্তিতে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করেই তদন্ত চলছে। ঠিকাদার, মধ্যস্থতাকারী এবং পুরসভার আধিকারিকদের ভূমিকা, বিশেষ করে কী ভাবে চুক্তি হয়েছিল এবং কী ভাবে অর্থের লেনদেন হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখছে ইওডব্লিউ। এর আগে তদন্তে উঠে আসে, ১৮ লক্ষ টাকা ‘ইউবিও রাইডজ়’ নামে একটি সংস্থায় স্থানান্তর করা হয়েছিল। এই সংস্থার অন্যতম ডিরেক্টর ডিনোর ভাই স্যান্টিনো মোরিয়া। পুলিশ আধিকারিকদের দাবি, মামলার অন্যতম মূল অভিযুক্ত কেতন কদম ওই টাকা স্থানান্তর করেছিলেন। মিঠী নদীর পলি অপসারণ সংক্রান্ত দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০২৫ সালে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।
আরও পড়ুন:
মামলায় উল্লিখিত সমস্ত অভিযোগই তদন্তাধীন। কোনও অভিযোগের ভিত্তিতে ডিনোকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়নি।