যশের সঙ্গে ‘টক্সিক: অ্যা ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন আপস’ ছবিতে অভিনয় করে কটাক্ষের শিকার হচ্ছেন কিয়ারা আডবাণী। ছবিতে একাধিক ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করেছেন তিনি। নিন্দকদের অভিযোগ, মা হওয়ার পরে এমন চরিত্রে অভিনয় করা ঠিক হয়নি। এ বার অভিনেত্রী নিজেই জানালেন, কেন ‘টক্সিক’-এর মতো ছবিতে অভিনয় করলেন তিনি।
এই ছবিকে কিয়ারার কেরিয়ারের সবচেয়ে সাহসী কাজ বলে মনে করা হচ্ছে। সাক্ষাৎকারে কিয়ারা বলেন, “গল্পটা প্রথম যখন শুনি, তখনই মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। আমার চরিত্রটি সুন্দর ভাবে তৈরি করা হয়েছে, একজন অভিনেতা হিসাবে এমন চরিত্রই তো সব সময় খুঁজি। আমার মনে হয়েছিল, কেরিয়ারের এমন এক জায়গায় পৌঁছেছি, যেখানে এমন কঠিন একটি চরিত্র করার আত্মবিশ্বাস এসেছে।”
যদিও ছবিতে তাঁর চরিত্র সম্পর্কে এখনও বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। তবে যশের সঙ্গে নাদিয়া চরিত্রে কিয়ারার সাহসী দৃশ্য ইতিমধ্যেই দর্শকদের নজর কেড়েছে। কিয়ারা জানান, তিনি কোনও দিনই চান না, মহিলা চরিত্রকে এক ছকে বেঁধে দেখা হোক। তাঁর কথায়, “আমি চাই না, মহিলাদের এক ধরনের চরিত্রে আটকে রাখা হোক। আমরা তার চেয়ে অনেকটা এগিয়ে। তা হলে পর্দার চরিত্রও কেন তেমন হবে না?” কিয়ারার মতে, মহিলা চরিত্র হওয়া উচিত শক্তিশালী। ‘টক্সিক’-এর চরিত্রও নাকি এমনই।
আরও পড়ুন:
গত বছর ছবিতে তাঁর চরিত্রের প্রথম পোস্টার প্রকাশ্যে আসার পর কিয়ারা ইনস্টাগ্রামে লিখেছিলেন, “এই চরিত্র আমাকে শারীরিক, মানসিক এবং আবেগের দিক থেকে নিজের সীমা ছাড়িয়ে যেতে বাধ্য করেছে। আমার কেরিয়ারের সবচেয়ে কঠিন চরিত্র এটি। অনেক মাসের পরিশ্রম আর এক সাহসী পদক্ষেপের ফল। প্রথম ঝলক এত ভালবাসা পেয়েছে, আমি আপ্লুত। ভাষায় কৃতজ্ঞতা জানাতে পারছি না।”
‘টক্সিক’ ছবির চিত্রনাট্য লিখেছেন যশ এবং গীতু মোহনদাস। পরিচালনা করেছেন গীতু মোহনদাস। ছবিটি একসঙ্গে ইংরেজি এবং কন্নড় ভাষায় শুট করা হয়েছে। পরে হিন্দি, তেলুগু, তামিল, মলয়ালম-সহ একাধিক ভাষায় মুক্তি পাবে।