নতুন প্রজন্মের আন্দোলনকারীদের আক্রমণ করে সমালোচিত হয়েছেন কঙ্গনা রনৌত। ককরোচ জনতা পার্টিকে ‘আবর্জনা’ বলেও আক্রমণ করেছেন তিনি। পাল্টা জবাব দিয়েছেন সৌরভ দাস ও অভিজিৎ দীপকেরা। এ বার কঙ্গনাকে একহাত নিলেন সোনু সুদ। অভিনেতা পড়ুয়াদের আন্দোলন সমর্থন করেছিলেন। তাঁরও মত, কঙ্গনা মোটেই ঠিক করেননি।
সাক্ষাৎকারে সোনু জানান, তিনি কঙ্গনার সম্পূর্ণ বক্তব্য শোনেননি। তবে তাঁর মতে, এমন ধরনের মন্তব্য মোটেই ঠিক নয়। সোনু বলেন, “আমি ওঁর বক্তব্য শুনিনি। তবে আমার মনে হয়, এই তরুণ-তরুণীরাই এক জন অভিনেতাকে তৈরি করেন। তাঁরাই অভিনেতাদের বিখ্যাত করেন।”
তিনি আরও বলেন, “যত দিন মানুষ আপনার পাশে থাকবে, তত দিন আপনি এগিয়ে যাবেন। মানুষ পাশে না থাকলে এগিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে যায়। তাই সবাইকে সঙ্গে নিয়েই চলা উচিত।” নতুন প্রজন্মের জন্য কঙ্গনা ‘জেনারেশন গাটার’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন। সে বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে সোনু বলেন, “যদি তিনি সত্যিই এ কথা বলে থাকেন, তা হলে আমার মনে হয় এটা খুবই লজ্জার। এ কথা বলা মোটেই উচিত হয়নি।”
আরও পড়ুন:
পাশাপাশি জনসমক্ষে কথা বলার সময়ে সতর্ক থাকারও পরামর্শ দেন তিনি। সোনুর কথায়, “ভেবেচিন্তে কথা বলা উচিত। কারণ, সাধারণ মানুষই ভগবানের আর এক রূপ।”
বিতর্কের সূত্রপাত কঙ্গনার ইনস্টাগ্রাম স্টোরি থেকে। সেখানে সিজেপি’র আন্দোলনে একাংশ তরুণ-তরুণীকে ‘কুরুচিকর’ ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি। তাঁর দাবি, এই প্রজন্ম মাদক, মদ্যপান এবং একাধিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়াকে স্বাভাবিক বলে মনে করে। অথচ এখনও তারা আর্থিক ভাবে বাবা-মায়ের উপর নির্ভরশীল। তবে কঙ্গনার এই মন্তব্যগুলিকে গুরুত্ব দিতে নারাজ আন্দোলনকারীরা। এই প্রসঙ্গে অভিজিৎকে তাঁর প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে তিনি পাল্টা প্রশ্ন তোলেন, “ওঁকে আবার কে গুরুত্ব দেয়?” একই রকম মন্তব্য করেন সিজেপি’র মুখপাত্র সৌরভ দাস। তিনি বলেন, “কঙ্গনা রনৌতকে তাঁর নিজের দলের সদস্যেরাই খুব একটা গুরুত্ব দেন না বা তাঁর কথা বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে নেন না। তা হলে আমরা কেন নেব? কোনও প্রজন্মই তাঁকে গুরুত্ব দেয় না।”